মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহের ভালুকায় শিল্প পুলিশের তান্ডবে হবিরবাড়ী রণক্ষেত্র, পুলিশ সহ আহত শতাধিক ময়মনসিংহের ভালুকায় বেতন ভাতার দাবীতে লিও ফ্যাশন র’ শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ এবার ঈদযাত্রায় মন্ত্রী-এমপিদের সুপারিশে মিলবে না ট্রেনের টিকিট ময়মনসিংহের ভালুকায় সন্তানকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে ঘরে তালা দিলেন বাবা চাল আমদানি বন্ধ করা হবে : অর্থমন্ত্রী চলমান মামলা নিয়ে সংবাদ প্রকাশে বাধা নেই : আইনমন্ত্রী ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ এসএ পরিবহনের কুরিয়ারে এলো এক লাখ ইয়াবা ময়মনসিংহের ভালুকায় বিড়ির দাম কমানোর দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল যে ভিটামিন ক্যানসারের সেল নষ্ট করে!
জীবাণুমুক্তকরণ যন্ত্র ১৪ বছর ধরে বাক্সবন্দী!

জীবাণুমুক্তকরণ যন্ত্র ১৪ বছর ধরে বাক্সবন্দী!

১৪ বছর ধরে বাক্সবন্দী হয়ে পড়ে আছে জীবাণুমুক্তকরণ যন্ত্রটি। বছরের পর বছর যন্ত্রটি হাসপাতালের বারান্দায় পড়ে থাকায় এটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, অবেদনবিদ (অ্যানেসথেটিস্ট) না থাকায় অস্ত্রোপচার কক্ষ চালু নেই। এ কারণে যন্ত্রটি কোনো কাজেই আসছে না।
সংশ্লিষ্ট একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দামি এই যন্ত্রটি এভাবে পড়ে থাকলে নষ্ট হবে। আপাতত বাক্সবন্দি না রেখে জরুরি বিভাগে ব্যবহার করলে রোগীরা অন্তত সেবা পাবেন। অস্ত্রোপচারের সরঞ্জামাদি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যন্ত্রটির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জীবাণুমুক্ত করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা যায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢুকতে ইসিজি কক্ষের পাশে বারান্দায় বাক্সবন্দী অবস্থায় পড়ে আছে জীবাণুমুক্তকরণ এই যন্ত্রটি। হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলেন, তারা জানেন, এটি ১৪ বছর এভাবে বাক্সবন্দী হয়ে পড়ে আছে।
রোগীরাও জানেন না বাক্সবন্দী যন্ত্রটি কী বা কী কাজের জন্য এটি ব্যবহার হয়। উপজেলার মরিয়মনগর থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খোরশেদ আলম (৪৫) নামের এক রোগী বলেন, এখানে বাক্সবন্দী জিনিসটা অনেক বছর ধরে পড়ে থাকতে দেখছেন। কিন্তু ভেতরে কী আছে, তা জানেন না।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কার্যালয় সূত্র বলেন, ১৯৬৫ সালে ৩১ শয্যা নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ২০০৬ সালে এই ক্যাম্পাসে নতুন ভবন নির্মাণ হয়। ভবনের দ্বিতীয় তলায় নারী ও শিশু ওয়ার্ড, অস্ত্রোপচার কক্ষ, তৃতীয় তলায় পুরুষ ওয়ার্ড, নিচতলায় ফার্মেসি ও বহির্বিভাগের চিকিৎসা চলে। পুরো উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা ও পাশের রাউজান উপজেলার লোকজনও এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ রোগী জরুরি বিভাগে সেবা নেয়। ২৫০ থেকে ৩০০ রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেয়। অন্তর্বিভাগে ৭০ থেকে ৮০ জন রোগী ভর্তি থাকে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মোমিনুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে জীবাণুমুক্তকরণ যন্ত্রটি ১৪ বছর আগে দেয়া হয়েছে। এত বড় যন্ত্র হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় ওঠানোর মতো কোনো রাস্তা নেই। এছাড়া অস্ত্রোপচার কক্ষ চালু না থাকার কারণে এটি ব্যবহার হচ্ছে না।

সূত্র : বাংলার চোখ

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com