মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

অ্যাসাঞ্জের মুক্তি দাবি জানালেন মঈন খান

অ্যাসাঞ্জের মুক্তি দাবি জানালেন মঈন খান

গোপন দলিলপত্র ফাঁস করে দিয়ে আলোচিত ওয়েবসাইট উইকিলিকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মুক্তি দাবি করেছেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।

শুক্রবার রাতে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে গ্রেফতার করা হয় অ্যাসাঞ্জকে। গত সাত বছর ধরে ইকুয়েডরে রাজনৈতিক পুনর্বাসনে ছিলেন তিনি।

অ্যাসাঞ্জের মুক্তির দাবিতে ড. মঈন খান তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন- ‘জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ আমার দায়িত্ব পালন সম্পর্কিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্যও প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। কিন্ত তা সত্ত্বেও তার আপসহীন নীতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই ও অবিলম্বে তার মুক্তি কামনা করি।’

অ্যাসাঞ্জের পুরনো একটি ছবি ও আটকের পরের একটি ছবি পোস্ট করে মঈন খান জানান, এ ছবি দুটির মধ্যে পার্থক্য ৭ বছর। এই সাত বছরে কেমন বৃদ্ধতে পরিণত তিনি। এ জন্য লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসের অ্যাসাঞ্জের বন্দিজীবনে থাকার কারণ হিসাবে দেখছেন অ্যাসাঞ্জ।

তিনি অ্যাসাঞ্জের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, তখন এবং সাত বছর প্রায় বন্দি নিঃসঙ্গ জীবনযাপনের পরে।

লক্ষ্য করুন- ৭ বছরের ব্যবধানে একি পরিবর্তন? মাত্র ৪৭ বৎসর বয়সে মনে হচ্ছে ৬৭ বৎসর বয়সের বৃদ্ধ !’

ড. আবদুল মঈন খানের ফেসবুক থেকে

তিনি আরও লিখেছেন, ‘কথা বলার স্বাধীনতা ও সত্য প্রকাশের এক সাহসী সৈনিককে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের অন্যায়কে ঢাকার জন্য নিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে কীভাবে প্রায় নিঃশেষ করে দিয়েছে!!!’

প্রসঙ্গত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক অ্যাসাঞ্জ ২০১০ সালে পেন্টাগন ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লাখ লাখ সামরিক এবং কূটনৈতিক গোপন নথি ফাঁস করে দিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন।

২০০৬ সালে কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে অ্যাসাঞ্জ ওয়েবসাইট উইকিলিকস চালু করেন। ২০১০ সালে উইকিলিকস বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়।

সুইডেনে তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জামিনে থাকার সময় ২০১২ সাল থেকে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসটিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন অ্যাসাঞ্জ।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com