রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
হাটহাজারী ও চৌধূরীহাট বাজারে মাংসের দোকানে অভিযান : আটক ৩

হাটহাজারী ও চৌধূরীহাট বাজারে মাংসের দোকানে অভিযান : আটক ৩

মো.আলাউদ্দীন,হাটহাজারীঃ

হাটহাজারীতে তিন এলাকার কয়েকটি মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিন এবং সহকারী (ভূমি) কমিশনার ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সম্রাট খীসা।

বৃহস্পতিবার(৯ মে) দুপুরের দিকে হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড ও ফকির মসজিদ সংলগ্ন বাজার ও উপজেলার চৌধূরীহাট এলাকার হাট বাজারের কয়েকটি মাংসের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, রমজানে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে গরুর মাংসের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ছদ্মবেশে হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড ও বাজারের বিভিন্ন মাংসের দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে। অথচ তিন দিন আগে মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৫০০ থেকে ৫শ ৭০ টাকায় মানভেদে মাংস বিক্রি করবেন তারা। এখন সেকথাই রাখছেন না বিক্রেতারা। এমন অভিযোগ পেলে সত্যতা যাচাই করতেই ইউএনও এ অভিযান চালান । এসময় ক্রেতা সেজে বাসস্ট্যান্ড এলাকার দুই দোকানে মাংস কিনতে গেলে এক বিক্রেতা প্রতিকেজি মাংস এক দাম সাতশ টাকা এবং  অপর বিক্রেতা ৫০ টাকা সম্মান করে ৬৫০ টাকা রাখবেন বলে জানান। ততক্ষণে মাংস বিক্রেতারা ইউএনওকে চিনতে পেরে মুহূর্তেই মাংসের দাম কমিয়ে দেন।

চৌধূরীহাট বাজারে বিক্রেতারা গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ – ৬৮০/- টাকা দরে বিক্রী করার সত্যতা পাওয়া গেলেও মোবাইল কোর্ট আসার খবর পেয়েই সে দাম ৫০০ টাকায় নামিয়ে আনেন মাংস বিক্রেতারা। ক্রেতাদের সাথে প্রতারণার এ চেষ্টা হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় এবং ভবিষ্যতে এমন প্রতারণার না করার জন্য সর্তক করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সম্রাট খীসা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন মাংস বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে। আটকৃতদের একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়সহ মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি দুজন এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকাল সাড়ে তিনটার দিকেও পুলিশ হেফাজতে আটক ছিলো।

স্থানীয়রা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এভাবে বাজার মনিটরিং করাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নন্দীরহাট এলাকা থেকে চৌধূরী হাট বাজারে কলা ক্রয় করতে আসা আশরাফ জানান, রমযানের আগে যে কলা প্রতি ডজন ৬০/৭০ টাকা করে কিনেছিলাম সে কলা এখন চাচ্ছে ১৮০ / ২০০ টাকা। কলা কিনতে আসা আশরাফ সহ অনেকেই বাজার মমনিটরিংয়ের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে কলার বিক্রয় মুল্যও নির্ধারন করে দিতেও যথাযত কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন এবং সহকারী (ভূমি) কমিশনার সম্রাট খীসা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com