শুক্রবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৯, ০৩:২৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে বাল্য বিয়ের দায়ে জরিমানা ময়মনসিংহের ভালুকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো জাতীয় শোক দিবস ভালুকায় যুবলীগ নেতার বাসাবাড়িতে অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে ময়মনসিংহের ভালুকায় ডাকাতিয়া ইউনিয়ন অর্নাস এসোসিয়েশন আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও সংবর্ধনা ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ভেলাগুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন সরকারের পাশাপাশি যুব সমাজকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে- কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু এমপি ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ্যাডভোকেট আঞ্জুমানআরা শাপলা ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজার রহমান ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু সাঈদ ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন চন্দ্রপুর ইউনিয়নের কাজী শরিফুল
পাটগ্রামে দুস্থ নারীর সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পাটগ্রামে দুস্থ নারীর সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

এস,এম সহিদুল ইসলাম লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা এলজিইডির অধীনে ‘পল্লী সড়ক ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচি’র ৮০ নারী কর্মীর সঞ্চয়ের কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গ্রামীণ দুস্থ নারীদের নিরাপত্তাবেষ্টনী খাতের আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চার বছর মেয়াদে এসব নারী কর্মীকে নিয়োগ দেয়া হয়। পাটগ্রাম উপজেলার আটটি ইউনিয়ন থেকে তারা নিয়োগ পান। পাটগ্রাম উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও নারী কর্মীদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৪ এপ্রিল শুরু হয়ে গত ১৬ এপ্রিল কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হয়। প্রত্যেক নারী কর্মী মাসিক বেতনের ৪ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে ৩ হাজার টাকা নগদ পান, অবশিষ্ট দেড় হাজার টাকা ব্যাংকে নিজ নিজ সঞ্চয়ী হিসাবে জমা রাখা হয়। কিন্তু এ নারীদের মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কমিটি অর্গানাইজার খয়বর আলী পাঁচ মাসের সঞ্চয়ের টাকা জমা দেননি। এপ্রিলে কর্মসূচির মেয়াদ শেষে সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দিতে ব্যাংকে টাকার হিসাব নিতে গিয়ে বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের দৃষ্টিতে ধরা পড়ে।

লালমনিরহাট এলজিইডি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খয়বর আলী ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট বদলি নিয়ে কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগ দেন। তাকে এখন পাটগ্রাম উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ফেরত আনতে চিঠি দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পাটগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী আবু তৈয়ব মো. শামসুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি নজরে আসার পর পাটগ্রাম সোনালী ব্যাংকের কাছ থেকে হিসাব নিয়ে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি ৮০ নারী কর্মীর সঞ্চয়ের ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ২০১৭ সালের মে, জুন ও জুলাই মাসের ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা সঞ্চয়ী হিসাব নম্বরে জমা হয়নি। ‘ভুল’ করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও কমিটি অর্গানাইজার খয়বর আলী। এসব ঠিকঠাক করতে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. আসাদুজ্জামানের দাবি— এলজিইডির প্রতিনিধি যেভাবে ব্যাংকে নোট দিয়েছেন, তারা সেভাবেই টাকা পোস্টিং করেছেন। তাদের পক্ষ থেকে ভুল হওয়ার কোনো কারণ নেই। পাঁচ মাসের টাকা যদি জমা না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের কিছু করার নেই।

ভুক্তভোগী দুস্থ নারী কর্মীদের দলনেত্রী ও বুড়িমারী ইউনিয়নের এলাকার কর্মী শাহিনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, বিষয়টি তারা লিখিতভাবে স্থানীয় এমপি মোতাহার হোসেনকে জানিয়েছেন। তিনি উপজেলা প্রকৌশলীকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এখনো কেউ টাকা হাতে পাননি।

এ ব্যাপারে  মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত কমিটি অর্গানাইজার খয়বর আলী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com