শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:৪২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহের ভালুকা পৌর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী সাংবাদিক- জামাল ৬৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ১০ জেলেকে ছেড়ে দিলেন এএসআই! ময়মনসিংহের ভালুকায় গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি সদস্যকে গণধোলাই পুলিশে শোপর্দ ৩৬ তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের সভাপতি ইমরুল, সা.সম্পাদক রাকিব সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে রংপুরে মানববন্ধন রাজনীতি আমার পেশা নয় আমার নেশা আলহাজ্ব এম.এ ওয়াহেদ ময়মনসিংহের ভালুকায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস উপলক্ষে র‌্যালী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সূর্যসেন হলে কোনো ‘টর্চার সেল’ নেইঃ হল সংসদ জাপান ভয়াবহ তাইফুন এর সম্মুখীন হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ ফুটবলের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত 
পুলিশ সুপার ছেলে, স্যালুট করতে গর্ববোধ কনস্টেবল বাবার!

পুলিশ সুপার ছেলে, স্যালুট করতে গর্ববোধ কনস্টেবল বাবার!

যে কোনও মানুষের জন্যই সবচেয়ে গর্বের বিষয় তাঁর সন্তারদের সাফল্য। ব্যতিক্রম নন, ভারতের উত্তরপ্রদেশের পুলিশ কনস্টেবল জনার্দন সিংও। সদ্য তাঁর ছেলে যোগ দিয়েছেন লখনউ (উত্তর)-এর সুপারিন্টেন্ডেন্ট অব পুলিশ হিসেবে। কাকতালীয়ভাবে ওই এলাকারই একটি থানায় কনস্টেবল পদে নিযুক্ত আছেন জনার্দন। এখন তাঁকে কাজ করতে হবে নিজের ছেলেরই অধীনে।

আজন্ম কাজ করে এসেছেন নিচুতলার পুলিশকর্মী হিসেবে। কত টাকাই বা মাইনে, ছেলেকে বড় করতে বেশ কষ্টই হয়েছে। রীতিমতো কাঠখড় পুড়িয়ে বড় করেছেন ছেলে অনুপ সিংকে। নিজের অনেক শখ, ইচ্ছে ত্যাগ করতে হয়েছে ছেলের সাফল্যের স্বার্থে।

সেই ত্যাগকে মর্যাদা দিয়েছেন ছেলে অনুপ। কষ্টের মধ্যে দিন কাটানো অনুপ এখন লখনউয়ের পুলিশ সুপার। সত্যিই তো একজন বাবার জন্য এর থেকে গর্বের আর কী হতে পারে? স্বাভাবিকভাবেই গর্বিত বাবা। নিজের সন্তুষ্টি গোপন করেননি তিনি।

জানিয়েছেন, আমি আমার ছেলের অধীনে কাজ করতে পেরে গর্বিত। আমার জন্য এটা সম্মানের। ছেলের অধীনে কাজ করতে পারলে ভালই লাগবে। অনুপ এখন উত্তর লখনউয়ের পুলিশ সুপার।

অন্যদিকে, জনার্দন সিং অনুপের এলাকারই একটি থানার কনস্টেবল। তাই প্রোটোকল অনুযায়ী ছেলেক স্যালুট করাটা দস্তুর। তাতে অবশ্যে বিন্দুমাত্র আপত্তি নেয় জনার্দন সিংয়ের। তিনি বলছেন, ‘যখনই ডিউটিতে থাকব ছেলেকে স্যালুট করব। এতে লজ্জার কিছু নেই।’

বাবা তো খুশি। কিন্তু ছেলে কী বলছেন। লখনউ উত্তর এলাকার সদ্যনিযুক্ত পুলিশ সুপার বলছেন, বাবার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। এখন একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি। আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের জন্য পেশাগত সম্পর্কে কোনও প্রভাব পড়বে না।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com