বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাজনীতি আমার পেশা নয় আমার নেশা আলহাজ্ব এম.এ ওয়াহেদ ময়মনসিংহের ভালুকায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস উপলক্ষে র‌্যালী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সূর্যসেন হলে কোনো ‘টর্চার সেল’ নেইঃ হল সংসদ জাপান ভয়াবহ তাইফুন এর সম্মুখীন হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ ফুটবলের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত  শিশুর কান-লিঙ্গ কেটে নৃশংসভাবে হত্যা ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে ৭ ইউপি সদস্যের অভিযোগ ময়মনসিংহের ভালুকায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন ও বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস পালিত ময়মনসিংহের ভালুকায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় শ্রমিকলীগের ৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাভারে ৩ কিশোরীকে ধর্ষণ
ইলিশে বৈশাখের উত্তাপ কমছে মুরগির দাম

ইলিশে বৈশাখের উত্তাপ কমছে মুরগির দাম

বৈশাখ আসতে এখনও ৭ দিন বাকি। তবে এখন থেকেই রাজধানীর বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। শুক্রবার ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজির প্রতি পিস ইলিশ বিক্রি হচ্ছিল ১৮০০-২০০০ টাকায়।

যা গত সপ্তাহের চেয়ে ৪০০-৫০০ টাকা বেশি। অন্যদিকে নতুন করে না বাড়লেও মাছ, গরুর মাংস ও সবজি বিক্রি হয়েছে উচ্চ মূল্যেই। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালি কক ও লাল লেয়ার মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে। চাল, ডাল, ভোজ্যতেলসহ বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম ছিল স্থিতিশীল। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মালিবাগ ও নয়াবাজারসহ একাধিক বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে বাজারে ইলিশের চাহিদা বাড়ছে। এ সুযোগে দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৮০০ গ্রাম ওজনের প্রতি পিস ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৫০০-১৬০০ টাকায়, গত সপ্তাহেও ছিল ১০০০-১২৫০ টাকা। ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজির ইলিশ প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছিল ১৮০০-২০০০ টাকা। গত সপ্তাহ থেকে ৪০০-৫০০ টাকা বেশি। ৫০০-৬০০ গ্রামের প্রতি হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছিল ২৮০০-৩২০০ টাকা।

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজারমূল্য তালিকায়ও ইলিশের দাম এক মাসের তুলনায় কেজিতে ১৭ দশমিক ৬৫ ভাগ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ রয়েছে।

কারওয়ান বাজারের ইলিশ বিক্রেতা রবিউল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ইলিশের বাজারে বৈশাখের উন্মাদনা চলছে। অনেকেই ইলিশ কিনতে শুরু করেছেন। তবে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম। যা আছে তা মজুদ করা ইলিশ। চাহিদা থাকায় বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

একই বাজারে ইলিশ কিনতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা রাজু আহসান যুগান্তরকে বলেন, বৈশাখকে কেন্দ্র করে মাছ বিক্রেতারা আগেভাগেই ইলিশের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। শুক্রবার দাম আরও বাড়িয়েছেন। বড় ইলিশ কেনার ইচ্ছা থাকলেও মাঝারি ইলিশ কিনেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে তাজা বলে যেসব ইলিশ বিক্রি হচ্ছে, তার বেশিরভাগই কয়েক মাস আগের মজুদ করা। বাড়তি লাভের আশায় পহেলা বৈশাখের দুই সপ্তাহ আগে থেকে সেগুলো বাজারে ছাড়া হয়েছে। বাজারে মিয়ানমারের ইলিশও প্রচুর বিক্রি হচ্ছে। অন্য মাছের দামও চড়া। পাঙাশ ও তেলাপিয়া ছাড়া সব মাছের দামই বেশি। তবে নতুন করে আর বাড়েনি। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৪০-১৬০ টাকা, পাঙাশ ১৬০-১৮০ টাকা, রুই আকারভেদে ৩৫০-৬০০ টাকা, পাবদা ৬০০-৭০০ টাকা, টেংরা ৭০০-৭৫০ টাকা, শিং ৪০০-৫৫০ টাকা কেজি, বোয়াল ৫০০-৮০০ টাকা ও চিতল মাছ ৫০০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল।

সব ধরনের সবজি গত সপ্তাহের মতো চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছিল শুক্রবার। খুচরা বাজারে বরবটি ৭০-৮০ টাকা, পটোল ৬০-৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০-৮০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা, করলা মানভেদে ৬০-৮০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। প্রতি পিস লাউ ৭০-৮০ টাকা, প্রতি পিস ফুলকপি ৫৫-৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। ধুন্দুল ৭০-৮০ টাকা, বেগুন ৪০-৬০ টাকা, মূলা ৪০-৫০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। পাকা টমেটো ৩০-৫০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ২৫-৩০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল।

কমেছে সোনালি কক ও লেয়ার মুরগির দাম। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বয়লার মুরগির কেজি আগের সপ্তাহের মতোই ১৬৫-১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। লাল লেয়ার মুরগি কিছুটা কমে ২১০-২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছিল। সোনালি কক বিক্রি হয় ২৭০-২৮০ টাকা কেজি দরে। আর গরুর মাংস বাজারভেদে বিক্রি হয়েছে ৫৩০-৫৬০ টাকা। এ ছাড়া দেশের ২৫০টির বেশি ব্র্যান্ডের ১৯০০ আউটলেটে বৈশাখে বিকাশে কেনাকাটায় ২০ ভাগ পর্যন্ত ক্যাশ ব্যাক দিচ্ছে।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com