শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০৭:১১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
৩৬ তম বিসিএস পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরুল, সা.সম্পাদক রাকিব সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে রংপুরে মানববন্ধন রাজনীতি আমার পেশা নয় আমার নেশা আলহাজ্ব এম.এ ওয়াহেদ ময়মনসিংহের ভালুকায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস উপলক্ষে র‌্যালী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সূর্যসেন হলে কোনো ‘টর্চার সেল’ নেইঃ হল সংসদ জাপান ভয়াবহ তাইফুন এর সম্মুখীন হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ ফুটবলের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত  শিশুর কান-লিঙ্গ কেটে নৃশংসভাবে হত্যা ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে ৭ ইউপি সদস্যের অভিযোগ ময়মনসিংহের ভালুকায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন ও বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস পালিত
পলাশের বিয়েতে নয় শেষ বিদায়ে যোগ দিতে হলো স্বজনদের

পলাশের বিয়েতে নয় শেষ বিদায়ে যোগ দিতে হলো স্বজনদের

অনলাইন ডেস্ক:

নেপাল থেকে ফিরলে ছেলে মতিউর রহমান পলাশকে বিয়ে করানোর পরিকল্পনা ছিল পরিবারের। মেয়েও দেখে রেখেছিলেন স্বজনরা। তবে সেই বিয়ের উৎসব আর হল না। সবাইকে যোগ দিতে হল তার শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায়।

মঙ্গলবার দুপুরে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বাগাদানা ইউনিয়নের আড়িয়াল খিল গ্রামে নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পলাশের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ভোরে তার লাশ গ্রামের বাড়ি পৌঁছলে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসীর ঢল নামে। এ সময় নিহতের স্বজন, সুহৃদদের কান্নায় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। জানাজা শেষে আড়িয়াল খিল গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে পলাশের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় চেয়ারম্যান ইসহাক খোকন বলেন, পলাশের জন্য তার পরিবারের লোকজন মেয়ে দেখে রেখেছিল। কথা ছিল ছেলে নেপাল থেকে ফিরলেই তাদের বিয়ে হবে। বিয়েতে যোগ দিয়ে উৎসব করার কথা ছিল স্বজনদের। কিন্তু এখন সবাই এসেছে তাকে চিরবিদায় জানাতে।

পলাশের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার মা নূরজাহান বেগম ছেলের শোকে মুহ্যমান। নামাজ পড়ছেন আর মোনাজাতে হাত তুলে শুধুই কাঁদছেন। পলাশ ঢাকায় রানার অটোমোবাইলস কোম্পানিতে কাজ করতেন। অফিসের কাজেই তাকে নেপালে পাঠানো হয়েছিল। ছয় ভাইবোনের মধ্যে পলাশ সবার ছোট। তিনি ফেনী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে ডিপ্লোমা করেছিলেন।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com