শুক্রবার, ১৯ Jul ২০১৯, ১২:০০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
‘সাংবাদিকের পেটে লাথি দিয়ে কোনো মন্ত্রী টেকেনি’

‘সাংবাদিকের পেটে লাথি দিয়ে কোনো মন্ত্রী টেকেনি’

ঢাকা: সাংবাদিকদের পেটে লাথি দিয়ে কোনো মন্ত্রী টিকে থাকতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএফইউজে, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জালাল।

বুধবার (১৫ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণমাধ্যমে ছাঁটাই বন্ধ, নবম ওয়েজ বোর্ডের গেজেট প্রকাশ, সংসদের চলতি অধিবেশনে গণমাধ্যমকর্মী আইন পাস ও ঈদের আগে বেতন-বোনাস দেওয়াসহ ১৪ দফা দাবিতে ঐক্য পরিষদের ডাকে সাংবাদিক শ্রমিক কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচিতে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন তিনি।

মোল্লা জালাল বলেন, ‘আমরা দেখতে চাই তথ্যমন্ত্রী আমাদের প্রতি কতটা আন্তরিক। এর আগে অনেক তথ্যমন্ত্রী এসেছেন, অনেকে চলে গেছেন। সাংবাদিকের পেটে লাথি দিয়ে কোনো তথ্যমন্ত্রী টিকে থাকতে পারেনি। সেটা মনে রাখা জরুরী।’

তিনি বলেন, গণমাধ্যমে এখন চরম স্বেচ্ছাচারিতা চলছে। কিছু মানুষ আছেন যারা মালিককে তুষ্ট করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন সব সময়। মনে রাখবেন, মালিককে যতই খুশি করতে যাবেন ততই আপনার নিয়তিতে দুর্ভোগ নেমে আসবে।

গণমাধ্যমে মালিকপক্ষকে হুঁশিয়ার করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের এই সভাপতি আরো বলেন, আমাদের পাওনা পরিশোধ না করলে আমরা অসহায় এর মত চলে যাব এমনটা ভাববেন না। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকবেন, আমাদের আন্দোলন আরো তীব্র হবে।

বর্ণচোরা ও অনুপ্রবেশকারীরা গণমাধ্যমকে ধ্বংস করছে উল্লেখ করে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আবু জাফর সূর্য বলেন, গণমাধ্যম শিল্পের সুরক্ষা দরকার। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমাদের গণমাধ্যম দেখার যে মন্ত্রণালয় রয়েছে তারা যেনো আমাদেরকে দেখে রাখে। ঈদের আগে বকেয়া বেতন ও বোনাস চাই। এটি না হলে লড়াই ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।

সাংবাদিক শ্রমিক কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচির শুরুতে ডিইউজে’র সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘এটা ন্যায্য দাবির আন্দোলন। দম্ভ ও ক্ষমতার সুযোগ নিয়ে মালিকপক্ষ সাংবাদিকদের ক্ষতি করছে। এরা কেউ বাংলাদেশের পক্ষের মানুষ নয়।’

ঈদের আগে বেতন-বোনাস না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২৯ তারিখের মধ্যে পাওনা পরিশোধ করতে হবে, ৩০ তারিখে আমরা খোঁজ নেবো। যারা সুযোগ সুবিধা দেবেন না তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।

সোহেল হায়দার বলেন, এক-এগারোর সময় যারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গেছে তারা ভালো আছে কিন্তু সাংবাদিকরা ভালো নেই। যারা সাংবাদিকবান্ধব নয় তারা যেন সাংবাদিকতার বড় পদে বসতে না পারে সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com