মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
যশোরে ১৯ নভেম্বর শহীদ মোহাম্মদ উল্লাহ বীর বিক্রমের ৪৮তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি গ্রহন যশোরে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে সদর উপজেলা ও শহর আ‘লীগের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন, খেয়ে দেখুন লবণপানি বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ৭ দলের নাম চূড়ান্ত পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট জনগনের কল্যাণে নিবেদিত রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম ‘ঢাবি ট্যালেন্ট হান্ট’ সূর্যসেন হলের প্রতিযোগিতা বাজিতপুরে আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত যশোরের সতীঘাটাস্থ নূর ফিলিং স্টেশনে হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেল চালকদের কাছে অবাধে  তেল বিক্রয়, দেখার কেউ নেই গাজা সীমান্তে সেনা বাড়াচ্ছে ইসরাইল, বাড়ছে হামলা
মৃত্যুর আগেই জাপার আলোচনায় এরশাদের কবর

মৃত্যুর আগেই জাপার আলোচনায় এরশাদের কবর

মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবরস্থান কোথায় হবে তা নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি দলটির শীর্ষ নেতারা।

বুধবার বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়ে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এমপিদের এ যৌথসভা চলে আড়াই ঘণ্টা। সভায় এরশাদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা ও এরশাদের কবরস্থান কোথায় হবে তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশের বাইরে থেকে ভালো চিকিৎসক আনা যায় কিনা তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে সভায়। সভায় এরশাদের কবরস্থানের জায়গা কেনার জন্য পাঁচ কোটি টাকা দেয়ার ঘোষণা দেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশিদ। তবে এরশাদের কবরস্থান কোথায় হবে সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। এতে জাপার ৩৮ জন প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এমপি উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বেলা ১টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে জিএম কাদের বলেন, ‘এরশাদের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। আজ সকালে আমি সিএমএইচে গিয়েছিলাম। তিনি আমার কণ্ঠ শুনে চোখ ও হাত নাড়িয়েছেন।’

বিকেলে জাপার যৌথসভার বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সভায় শুরুতেই জিএম কাদের এরশাদের কথা বলতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন। সভায় উপস্থিত অধিকাংশ নেতা এরশাদের কবরস্থান নিজস্ব কেনা জায়গায় পাবলিক প্লেসে করার পক্ষে মত দেন। তবে কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য দাবি করেন, এরশাদ সেনানিবাস অথবা আসাদগেটের বিপরীতে সংসদ প্রাঙ্গণে তার কবরের কথা বলেছেন। কয়েক নেতা এর বিরোধিতা করে বলেন, ‘এরশাদ দেশের সতের কোটি মানুষের নেতা। তার কবরস্থান যদি সেনানিবাসে হয় তাহলে সাধারণ মানুষ তার কবরস্থান জিয়ারত করতে যেতে পারবে না।‘

সভা সূত্র জানায়, সভায় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সফিকুল ইসলাম সেন্টু মোহাম্মদপুরের আদাবরে জায়গা কিনে কবরস্থান কেনার প্রস্তাব দেন। কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘আদাবরে না পাওয়া গেলে সাভারে আমার নিজস্ব জায়গা থেকে দুই বিঘা জায়গা এরশাদের কবরস্থানের জন্য লিখে দেব।’

এরপর প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশিদ পাবলিক প্লেসে এরশাদের কবরস্থান করার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘নেতা এরশাদের কবরস্থানের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে পাঁচ কোটি টাকা দেব। স্যারকে যদি চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে নেয়া হয়, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যাবতীয় খরচও আমি বহন করব।’

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com