শনিবার, ১৩ Jul ২০১৯, ১০:০২ অপরাহ্ন

ময়মনসিংহের ভালুকায় কৈয়াদী সোনাউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজে ধর্ষণকারীর ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন

ময়মনসিংহের ভালুকায় কৈয়াদী সোনাউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজে ধর্ষণকারীর ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন

আশিকুর রহমান শ্রাবণ বিশেষ প্রতিনিধি-
ভালুকা উপজেলার কৈয়াদী সোনাউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী রুমিকে ভয় দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকের ফাঁসির দাবীতে ছাত্র সমাজ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী স্কুলের সামনে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে । এ সময় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি স্থানীয় সাংসদের সহধর্মীনী ব্যারিষ্টার জেসমিন কাজিম এরশাদ পুতুল, ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান তালুকদার, সোনাউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি শামছুল হক চৌধূরী, সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি রবিউল আলম খোকন, ইউপি সদস্য আঃ মান্নান, আবুল কালাম, এছাহাকসহ এলাকাবাসী ও বিক্ষোভ কারীরা অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেন ।

উল্লেখ্য- ভয় দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার হয় অষ্টম শ্রেণীতে পড়ূয়া এক স্কুল ছাত্রী (১৪)। এ ঘটনায় নির্যাতণের শিকার ওই ছাত্রীর পরিবার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলে রোববার সকালে ভালুকা মডেল থানায় নারী নির্যাতণ দমন আইনে মামলা রুজু হয়।ভালুকা উপজেলার কৈয়াদী সোনা উল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজের অস্টম শ্রেণীর ছাত্রী ওই গ্রামের হাবিবুর রহমানের কিশোরী মেয়ে গত ১৬ জুন সকালে বাড়ি থেকে জগঙ্গলের ভেতর দিয়ে স্থানীয় কায়ানাড়া রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় একই গ্রামের মৃত জাবেদ আলী ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪০) ও ইয়ার মাহমুদের ছেলে রমজান আলী (৩০), পিছন থেকে তাকে জাপটে ধরে জোরপূর্বক জঙ্গলে নিয়ে যায় । এ সময় তারা কিশোরীর গলায় চাকু ধরে ও এসিড নিক্ষেপের ভয় দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং ঘটনাটি কাউকে না জানানোর ভয় দেখিয়ে ছেড়ে দেয়। ভয়ে ওই কিশোরী ঘটনাটি বাড়ির কাউকে জানায়নি। গত ২৪ জুন ওই ছাত্রী পরীক্ষা দিতে একই রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে উক্ত স্থানে সাইফুল ও রমজান আবারো ধর্ষণের উদ্দেশ্যে জোড়াজোড়ি শুরু করলে কৌশলে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে কিশোরীটি বাড়িতে গিয়ে তার বাবা মার কাছে ঘটনাটি জানালে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখি অভিযোগ দায়ের করা হয়।নির্যাতণের শিকার কিশোরী জানায়, সাইফুল ও রমজান ১৬ জুনের ঘটনাটির ভিডিও ফেসবুকে ও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকী দিয়ে ২৪ জুন আবারো নির্যাতণের চেষ্টা চালায়। কিন্তু পরে কৌশলে তাদের হাত থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাই।

মেয়ের বাবা হাবিবুর রহমান জানান, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করায় ভয়ভীতিসহ তারা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরেণের হুমকী দিয়ে আসছে।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মাইন উদ্দিন জানান, জেলা পুলিশ সুপারের ১৮৭ নম্বর বার্তামূলে রোববার সকালে এ ঘটনায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নম্বর-৬২) দায়ের করে ।

Developed Logo

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com