বুধবার, ২০ মে ২০২০, ০১:২৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাংকের মত বীমা খাতে আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো তৈরি হচ্ছে-সময়ের ধারা লক্ষীপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যাত্রী পারাপারে-মোবাইল কোর্টে জরিমানা- সময়ের ধারা লক্ষীপুরের ১৩নং দিঘলীতে প্রবাসি আলতাফ’ অসহায় ও ইমাম মোয়াজ্জেমদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ-সময়ের ধারা লক্ষীপুরের ঢাকাস্থ চররুহিতা ফোরামের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ঈদ উপহার- সময়ের ধারা কেজি শ্রেণির শিক্ষার্থী মুনতাহা মারসি’র ছবি নিলামে রংপুরে “মানব ফাউন্ডেশন” এর উদ্যোগে শতাধিক পরিবারে ত্রান বিতরণ অভিনেত্রী অপ্সরা সুহির আজ জন্মদিন ফরিদপুর ‘মানুষ মানুষের জন্য’ সংগঠনের পক্ষ থেকে ঈদসামগ্রী বিতরন দাউদকান্দিতে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ৪০০ পরিবারকে উপহার সামগ্রী বিতরন কোথায় আমাদের বিবেক? ফারিয়া আক্তার- সময়ের ধারা
ফেসবুক-গুগলকে ৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে গ্রামীণ-বাংলালিংক-রবি

ফেসবুক-গুগলকে ৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে গ্রামীণ-বাংলালিংক-রবি

মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও রবি গত পাঁচ বছরে গুগল ও ফেসবুককে আট হাজার ৭৪৪ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হাইকোর্টে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

আদালতে বিটিআরসির পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন আইনজীবী একেএম আলমগীর পারভেজ। রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

শুনানিকালে বিটিআরসি’র সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের উপ-পরিচালক প্রকৌশলী মো. নাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

একই বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আরেকটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে। কিন্তু এনবিআরের প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হননি হাইকোর্ট। তাই এনবিআরকে পুনরায় প্রতিবেদন দাখিলে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ইন্টারনেটভিত্তিক সব ধরনের প্রতিষ্ঠান থেকে রাজস্ব আদায়ে কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তাও এনবিআরকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল সার্চ ইঞ্জিন গুগল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ ইন্টারনেটভিত্তিক সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব ফাঁকির বিরুদ্ধে রিট দায়ের করা হয়। রিট আবেদনে, ইন্টারনেটভিত্তিক সব প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনা, প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে পরিচালনার জন্য নীতিমালা প্রস্তুত করা, প্রতিষ্ঠানগুলো কী পরিমাণ টাকা নিচ্ছে তার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি এবং সেই কমিটি দিয়ে বিগত ১০ বছরে কী পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে তা নিরূপণের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের ছয় আইনজীবীর পক্ষ থেকে এই রিট দায়ের করা হয়। আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউসার, অ্যাডভোকেট আবু জাফর মো. সালেহ, অ্যাডভোকেট অপূর্ব কুমার বিশ্বাস, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মাজেদুল কাদের।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com