বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১১:২৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাজনীতি আমার পেশা নয় আমার নেশা আলহাজ্ব এম.এ ওয়াহেদ ময়মনসিংহের ভালুকায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস উপলক্ষে র‌্যালী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সূর্যসেন হলে কোনো ‘টর্চার সেল’ নেইঃ হল সংসদ জাপান ভয়াবহ তাইফুন এর সম্মুখীন হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ ফুটবলের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত  শিশুর কান-লিঙ্গ কেটে নৃশংসভাবে হত্যা ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে ৭ ইউপি সদস্যের অভিযোগ ময়মনসিংহের ভালুকায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন ও বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস পালিত ময়মনসিংহের ভালুকায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় শ্রমিকলীগের ৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাভারে ৩ কিশোরীকে ধর্ষণ
যেসব দেশে নিষিদ্ধ হলো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ রেনিটিডিন

যেসব দেশে নিষিদ্ধ হলো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ রেনিটিডিন

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ব্যবহৃত রেনিটিডিন গ্রুপের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গেছে। তাই কয়েকটি কোম্পানি তাদের রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধ প্রত্যাহার করেছে।

আন্তর্জাতিক ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ইউএস এফডিএ’ এই গ্রুপের ওষুধে ‘এন নাইট্রোসোডিমিথাইলামিন (এনডিএমএ)’ নামক এক উপাদানের অস্তিত্ব খুঁজে পায়।

‘ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি)’ এই উপাদানকে মানুষের দেহে ক্যান্সারের জন্য সম্ভবত দায়ী বলে দাবী করে।

বাজার থেকে এই ওষুধ নিষিদ্ধ করা না হলেও চিকিৎসক ও রোগী দুপক্ষকেই এই ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সতর্ক করা হচ্ছে।

কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে সিবিসি ডট সিএ’তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, রেনিডিন গ্রুপের ওষুধে স্বল্প মাত্রায় ‘এনডিএমএ’য়ের উপস্থিতি রয়েছে।

তাই গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরমার্শ নেওয়া উচিত।

ক্যান্সার ঝুঁকির কারণে গ্যাস্ট্রিকের জনপ্রিয় ওষুধ রেনিটিডিন নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ-সহ কয়েকটি দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন (এফডিএ) এক সতর্কতা জারির পর এই উদ্যোগ নিলো বাংলাদেশ। খবর-বিবিসি বাংলার।

একই সঙ্গে এই ঔষধটির মধ্যে সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি খুচরো বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান সিভিএস এরই মধ্যে এটির বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া ক্যানাডা ও ফ্রান্স এরই মধ্যে জ্যানটাক নামে বিক্রি হওয়া রেনিটিডিন বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এই ঔষধটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন তদন্ত শুরু করেছে।

বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রেনিটিডিনের বিকল্প হিসেবে অন্য কোন ঔষধ গ্রহণ করতে বলছেন।

আরও যে কয়েকটি দেশে নিষিদ্ধ হলো রেনিটিডিন

যুক্তরাষ্ট্রে সিভিএস ছাড়াও এর আগে ওয়ালমার্ট, ওয়ালগ্রিনস এবং রাইট এইডের মতো কোম্পানি এর আগে রেনিটিডিন বিক্রি বন্ধ করে দেয়।

ক্যানাডা এবং ফ্রান্সে ফার্মেসির তাক থেকে এগুলো তুলে নেয়া হয়েছে।ঔষধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোও এটি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।

স্যান্ডোজ, যেটির আসল মালিক নোভারটিস, তারাও কয়েকটি ব্যাচের রেনিটিডিন বাজার থেকে প্রত্যাহার করেছে।

অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ক্যানাডা, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, হাঙ্গেরি, মেসিডোনিয়া, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রে এটি হয় বাজার থেকে তুলে নেয়া হচ্ছে বা তুলে নেয়া হয়েছে।

গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনও ভারত এবং হংকং থেকে জ্যানটাক নামে বাজারজাত করা রেনিটিডিন তুলে নিচ্ছে বলেও জানা গেছে।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com