বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

‘এখনো শোধরায়নি অপশক্তি’

‘এখনো শোধরায়নি অপশক্তি’

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরেও যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লাকে শহীদ বলে আখ্যা দেয়া, প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা এখনো শোধরায়নি। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এসে এ কথা বলেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাদের নিষিদ্ধ করাই একমাত্র সমাধান। ক্ষমতার রাজনীতি টিকিয়ে রাখতেই তাদের নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাদের। এদিকে বিএনপি মহাসচিব নিজ নেত্রীকে অন্যায়ভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে অভিযোগ করে তার মুক্তি দাবি করলেও যুদ্ধাপরাধীকে শহীদ আখ্যা দেয়ার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি।

নক্ষত্রের মতো জ্বলেজ্বলে কিছু নাম। অশ্রুজলে লেখা কিছু নাম। রক্তের অক্ষরে লেখা কিছু নাম- শহীদ বুদ্ধিজীবী। মুক্তির মন্দির সোপান তলে হারিয়ে যাওয়া প্রাণগুলোকে প্রতি বছরের মতো এবারো ১৪ ডিসেম্বরে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর হৃদয় নিংড়ানো আবেগে স্মরণ করে জাতি। সমাজের উচুঁ নিচু সবস্তরের মানুষের সঙ্গে শ্রদ্ধার মিছিলে ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও। সকালের আলো ফোটার কিছু পর থেকেই মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জড়ো হন তারা। সম্প্রতি জামায়াত নেতা যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ আখ্যা দিয়ে তাদের মুখপাত্র সংগ্রামের খবর প্রকাশের তীব্র সমালোচনা করেন তারা।

কোনো কোনো রাজনৈতিক নেতার মতে ক্ষমতার রাজনীতি টিকিয়ে রাখার স্বার্থে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না জামায়াতকে। আর এই সুযোগে বাড়ছে তাদের আস্ফালন। বাড়ছে ধৃষ্টতা।

আ স ম আব্দুর রব বলেন, আমরা তো বঙ্গবন্ধুর কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে তাদের বিচার করার কথা।

জিএম কাদের বলেন, যেকোন মানুষকে শহীদ বলা যায় না। আমি বিশ্বাস করি তাকে যেভাবে শহীদ বলা হয়েছে তা ঠিক নয়।

বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সঙ্গে নিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা জানাতে আসেন বিএনপি মহাসচিব। এসময় তিনি দলের চেয়ারপার্সনকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার অভিযোগ তুলে তার মুক্তি দাবি করেন। সমালোচনা করেন ভারতের এনআরসিরও। তবে কাদের মোল্লার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com