মঙ্গলবার, ০৭ Jul ২০২০, ০৯:৩০ অপরাহ্ন

হাটহাজারীর উদালিয়াতে সন্ত্রাসীর রাজত্ব কায়েম করতে যুবককে রক্তাক্ত জখম

হাটহাজারীর উদালিয়াতে সন্ত্রাসীর রাজত্ব কায়েম করতে যুবককে রক্তাক্ত জখম

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
হাটহাজারীর উদালিয়া গ্রামে ইমন(২০) নামের এক কিশোর কে স্থানীয় মাদক ও ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পিস্তল ঠেকিয়ে বেদম প্রহার করে হাত,পা,মাথাসহ পুরো শরীর রক্তাভ জখম করার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৬) সন্ধ্যায় সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড উদালিয়া গ্রামের দক্ষিণ সোনাইরকুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভিকটিম ইমনের পরিবার রাত দশটার দিকে হাটহাজারী মডেল থানায় অপরাধীদের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৫/৬ জনের নামে মামলা দায়ের করেছে।

জানা যায়, ওই দিন ভিকটিম ইমন কে স্থানীয় মাদক ও ইয়াবা ব্যবসায়ী টিটু (৩৫), সোহেল (৩৫) , কালা কামাল (৩০) , এরশাদ (৩০), হাসান (২৫) সহ তাদের সাঙ্গ-পাঙ্গরা রক্তাক্ত জখম করে স্থানীয় আকবর সওদাগরের ঘাটার দক্ষিণ পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুর পাড়ে ফেলে দিয়ে চলে যায়।  পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত ইমন কে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। স্থানীয়রা জানান, টিটু, কালা কামাল, এরশাদ, হাসান সবাই উপজেলার উদালিয়া গ্রামের হলেও বহিরাগত ফটিকছড়ির সোহেল সব সময় পিস্তল নিয়ে উদালিয়া গ্রামে সন্ত্রাসী করে। কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে সবাই মিলে মেরে জঙ্গল কিংবা রাস্তায় ফেলে রাখে। শুধু তা নয় তাদের বিরুদ্ধে এলাকার ও বন বিভাগের গাছ কেটে পাচার করার অপরাধে মন্দাকিনী বিট কর্মকর্তা তাদের নাম উল্লেখ করে দুইটি মামলাও করেছে । এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেরর জন্য ৬/৭টি মামলা এবং ২/৩ টি অভিযোগ রয়েছে। তারা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘুরাফেরা করলেও কেউ তাদের ভয়ে কোন প্রচার প্রতিবাদ করে না।

সাজ্জাদ আর রবি নামে দুই যুবকও কিছু দিন আগে একই কায়দায় হামলার স্বীকার হয়ে পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলো। সাজ্জাদের মামলায় সোহেল জামিন এসে তাকে হত্যা করার হুমকী দেয় এবং প্রায় সময় পিস্তল নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। যার কারণে সাজ্জাদ বর্তমানে বাড়ী থেকে জীবনের ভয়ে পালিয়ে আছে।

হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com