বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
হাটহাজারীতে এনজিওর কিস্তির টাকার জন্য গৃহবধূর আত্নহত্যা ! ফরিদপুর সদর ফায়ার সার্ভিস ষ্টেষনে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছে সিনিয়র ষ্টেষন অফিসার এনাল ফিসারের চিকিৎসা হোমিওপ্রতিবিধান ফেনীতে সবুজ আন্দোলন’র দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কসবায় যুবলীগের নেতাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত, হাসপাতালে ভর্তি কৌতূহল ভিড় করছে কওমি মহলে, কে হচ্ছেন হেফাজত আমির ! মজলিসে সুরার বৈঠকে মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য কমিটি গঠন, বাবুনগরী শিক্ষা সচিব মনোনীত ! মরহুম আহমদ শফীর জানাযা ও দাফন সম্পন্ন, জনসমূদ্রে পরিণত মাদ্রসা এলাকা ! মুহতামিমের পদ ছেড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে আহমদ শফী ,কাল শনিবার জানাযা ! সাংবাদিক মির্জা ইমতিয়াজের নানী নাজমা খায়েরের ইন্তেকাল !
ইউএনওর ওপর হামলার মূল আসামি হাসপাতালে

ইউএনওর ওপর হামলার মূল আসামি হাসপাতালে

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলার মূল আসামি আসাদুল হক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওই আসামির সঙ্গে গ্রেপ্তার অপর দুজন-নবীরুল ইসলাম ও সান্টু কুমার বিশ্বাসকে দিনাজপুর জেলা জজ আদালতে তোলা হচ্ছে। আজ শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘোড়াঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক মোজাফফর হোসেন।

তিনি জানান, গতকাল শুক্রবার রাত দুইটার সময় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্য নবীরুল ও সান্টুকে ঘোড়াঘাট থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে শনিবার সকাল ৯টার দিকে তাদের দিনাজপুর জেলা জজ আদালতে পাঠানো হয়।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আদালতের কাছে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে। মামলায় আসাদুলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে বলেও জানান মোজাফফর হোসেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১৩ এর অধিনায়ক কমান্ডার রেজা আহমেদ ফেরদৌস জানান, গ্রেপ্তার হওয়া আসাদুল জানিয়েছেন ‘চুরি করার জন্য’ তারা ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাসায় ঢুকেছিলেন। আসাদুল জানিয়েছেন, নবীরুল এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। নবীরুল ও সান্টু কুমার দুজনেই পেশায় রংমিস্ত্রি।

আসাদুল ও নবীরুলের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় চুরি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে লাল টি-শার্ট পড়ে হালকা-পাতলা গড়নের যে ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছিল তিনিই নবীরুল। জিজ্ঞাসাবাদে নবীরুল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার মধ্যরাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা উপজেলা পরিষদের নৈশ্য প্রহরীকে বেঁধে রেখে দুর্বৃত্তরা পিপিই ও মাস্ক পরে বাসায় প্রবেশ করে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় ও শরীরে বেধম আঘাত করে। এ সময় বাসায় থাকা তার বাবা শেখ ওমর আলী মেয়েকে বাঁচাতে এলে তাকেও সন্ত্রাসীরা গুরুতর আঘাত করে।

দুর্ঘটনার পর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর অবস্থায় ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা শেখ ওমর আলীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ইউএনও ওয়াহিদা খানমের স্বামী রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেজবাহুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয়ের ব্যবস্থাপনায় তার স্ত্রী ওয়াহিদা খানমকে বিমানবাহিনীর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল রাতেই তার মাথার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর তার জ্ঞান ফিরেছে। তিনি এখন অনেকটা আশঙ্কা মুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com