মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহের ভালুকায় নারী ছিনতাইকারী চক্রের ৮ সদস্য আটক ময়মনসিংহের ভালুকায় নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠীর মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান হাটহাজারীতে ভূমি অফিসের ফাইল বিক্রি হচ্ছে দোকানে ! ময়মনসিংহের ভালুকায় নারী সাংবাদিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার আফগানিস্তানের বিপক্ষে সম্ভাব্য বাংলাদেশ একাদশ জাতিসংঘের কাছে কাশ্মীরি শিশুদের নিরাপত্তা চাইলেন মালালা সারদা পুলিশ একাডেমিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ঢামেকে নবজাতককে রেখে পালালেন মা-বাবা ছাত্রলীগ সভাপতি-সা.সম্পাদকের পদ হারালেন শোভন-রাব্বানী, ভারপ্রাপ্ত জয়-লেখক ময়মনসিংহের ভালুকায় এমপি পংকজ দেবনাথের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় নোংরা প্রচারণাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে স্বেচ্ছাসেবকলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ
নিজ গাড়িতে তিন রোগীকে হাসপাতালে নিলেন কাদের

নিজ গাড়িতে তিন রোগীকে হাসপাতালে নিলেন কাদের

নিজস্ব প্রতিনিধি:

মা বিলকিস বেগম। মেয়ে বিথী। অ্যাসিড সন্ত্রাসের কবলে পড়ে দু’জনের মুখের আকৃতি পাল্টে গেছে। মেয়ের ডান হাত এমনভাবে ঝলছে গেছে যে পরে তার হাতের কবজি কেটেই ফেলতে হয়েছে।

আরেকজন মিজান। সড়ক দুঘর্টনায় আঘাত পাওয়ার পর হাঁটুর নিচে প্রায় পচন ধরেছে। এরা সবাই হতদরিদ্র। তাই চিকিৎসা পাচ্ছেন না। কিন্তু তাদের আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদককে কাছে পেয়ে সাহায্য চাইতেই সব শুনে নিজের গাড়িতে করে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান তিনি।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) অভিযান পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর ওই তিনজন মন্ত্রীকে দেখে সাহায্য চান।

এরপর মন্ত্রী তার নিজ গাড়ির সামনের আসনে বসে দুই নারীকে পেছনের আসনে বসান। আর মিজানকে প্রটোকলের গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যান।

গাড়িতে থাকা বিলকিস বেগমের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে জানা গেছে, তাদের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায়। তার মামাকে অ্যাসিড মারতে এসে মা ও মেয়েকে অ্যাসিড মারে সন্ত্রাসীরা। মামা সেদিন ভয়ে ওই বাড়িতেই ছিলেন না। এমনকি মামা যেখানে ছিলেন সেখানেও ভয়াবহ হামলা চালানো হয়।অথচ আজ পর্যন্ত কোনো বিচার পাননি তারা।

আজ মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সব খুলে বলার পর তিনি ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। এ সময় উপস্থিত উৎসুক জনতা মন্ত্রীর প্রশংসায় মেতে ওঠেন।

এ সময় কান্না জড়িত কণ্ঠে বিথি জানান, গরিব হওয়ায় আমরা ভালোভাবে চিকিৎসা করতে পারিনি। কোথায় কী ধরনের চিকিৎসা পাওয়া যায় তাও জানি না।
অন্যদিকে পায়ে দগদগে ঘা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন মিজান। মন্ত্রী তাকে দেখে এগিয়ে যান। তার পা দেখে অবাক হয়ে যান তিনি। জানতে চাইলে সব খুলে বলেন মিজান। সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রী তাকে গাড়িতে তুলে নেন।

মন্ত্রীর সহকারীর একান্ত সচিব আবুল তাহের মো. মহিদুল হক তাদের সঙ্গেই ছিলেন। তিনি জানান, তিনজনকেই ডাক্তার দেখানো হচ্ছে। ডাক্তার প্রয়োজনবোধ করলে তাদের ভর্তি করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রথমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে তিনি বলেন, রাজনীতি মানেই তো জনগণের সেবা করা। এই সামান্য কাজের কথা উল্লেখ করে কী লাভ?

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com