বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হেলাল উদ্দিনকে নৌকা প্রতিকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় আশুলিয়াবাসী

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হেলাল উদ্দিনকে নৌকা প্রতিকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় আশুলিয়াবাসী

বিশেষ প্রতিনিধি : রাজধানী ঢাকার অতি কাছে শিল্পাঞ্চল হিসেবে অধিক পরিচিত আশুলিয়া ইউনিয়ন। আর এই শিল্পাঞ্চল খ্যাত আশুলিয়া ইউনিয়নবাসীর অতি প্রিয় মুখ আশুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক সফল ও একাধিক স্বর্ণপদক প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হাজী মো: হেলাল উদ্দিন মাদবর এর জনপ্রিয়তা এখনো সাধারণ মানুষের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে আকাশচুম্ভী। সম্প্রতি আশুলিয়া ইউনিয়ন ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হাজী মো: হেলাল উদ্দিন মাদবর সাবেক চেয়ারম্যান হলেও কর্মে কিংবা মানবসেবায় এখনো বর্তমান চেয়ারম্যানের চেয়ে অধিক জনপ্রিয়। কারণ, তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালীণ সময়ে যেভাবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন তা সাধারণ মানুষ এখনো ভূলতে পারছেন না। জানা গেছে, আশুলিয়া ইউনিয়নবাসীর অহংকার হাজী মোঃ হেলাল উদ্দিন মাদবর জনগণের অতি কাছের ও প্রিয় মানুষ হিসেবেই সাধারণ মানুষের সুখে দু:খে পাশে আছেন। এখনো কোন মানুষের বিপদের কথা শুনলে তা সমাধান করার সর্বোচ্চ চেষ্টায় থাকেন এবং সমাধান করেন। এলাকার গরীব দু:খী মানুষকে ভালবাসেন। সাহায্য সহযোগীতা করেন আপন মনে। এলাকাবাসী আরও এ প্রতিবেদককে বলেন, আশুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান হাজী মো: হেলাল উদ্দিন মাদবর সাধারণ মানুষের কাছে মানবতার দৃষ্টান্ত হয়ে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন আজীবন। তিনি বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে নেই তবুও মানুষের সুখে দুঃখে আপদে-বিপদে পাশে থাকেন,মানুষকে সময় দেন এটা তার অন্যতম চারিত্রিক ও পারিবারিক গুণাবলির বৈশিষ্ট। তার আচার-আচরণ ও ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে হাজী মো:হেলাল উদ্দিন মাদবরকে নৌকা প্রতীকের আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী ও আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।কারণ তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন। অন্যায়কে কখনো প্রশ্রয় দেন না। সততা নিয়ে দিন যাপন করেন। তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালিন সময়ে সততা অক্ষুন্ন রেখে ইউনিয়নের উন্নয়নে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন। ইউনিয়নে নাগরিক সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে অতি কাছের পরম আত্মীয় মনে করে মানুষকে সেবা প্রদান করেছেন। সাপ্তাহে ৭ দিন তিনি মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ২৪ ঘন্টা খোলা রেখেছেন সকলের জন্য। কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার তিনি করেন নাই। গ্রাম আদালতের বিচারের ক্ষেত্রে তিনি মামলার বাদী এবং বিবাদী উভয়ের কথা মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করে সঠিক সীদ্ধান্ত দিয়েছেন এতে উভয় পক্ষ সন্তোষ্ট হয়েছেন। যার ফলে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে বিচারপ্রার্থীদের কাছে। একইভাবে ইউনিয়ন পরিষদের হোল্ডিং টেক্স/ট্রেড লাইসেন্স থেকে আয়ের অর্থ সঠিকভাবে সরকারের কাছে জমা দিয়েছেন। যার ফলে তিনি বিভিন্ন পুরুস্কারের ভূষিত হয়েছিলেন। সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক সময়ের ধারার পক্ষ থেকে জানতে চাইলে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হেলাল উদ্দিন মাদবর এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকেই সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজনীতি করছি এবং বিশ্ব মানবতার প্রতিক বাংলাদেশের বার বার নির্বাচিত সফল রাষ্ট্রনায়ক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি গণতন্ত্রের মানস কন্যা বাংলার ১৭ কোটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীগের সভাপতি হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কেন্দ্রীয়ভাবে যখন কোন কর্মসুচী দিয়েছেন আমি ইউনিয়ন ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে রাজপথে থেকেছি,আন্দোলন সংগ্রাম করেছি এবং এখনো মাঠে আছি। কারণ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পারিবারিকভাবেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি। ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে স্বজনহারা মমতা ময়ী মা জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দু:সময়েও পাশে থেকেছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন,২০১১সালে আশুলিয়া ইউনিয়নের জনগনের ভালবাসা নিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই এবং ২০১৩ সালে আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। নির্বাচিত হওয়ার পর আশুলিয়াবাসীর জন্য রাস্তাঘাট স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়নে ব্যাপাকভাবে কাজ শুরু করি, যে রাস্তায় এক সময় মানুষ চলতে পারতো না সেই রাস্তায় বড় বড় কার্গো ট্রাক বাস চলাচলের উপযোগী করে দিয়েছি। তিনি বলেন,আশুলিয়ার অধিকাংশ রাস্তা স্থায়ী নির্মাণের লক্ষ্যে আরসিসি ঢালাই দিয়ে তৈরি করেছি যা আরো ৫০/৬০ বছরেও কিছু হবে না। আমার কাছে যে কোন মানুষ সমস্যা নিয়ে আসলে আমি দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করেছি। সবশেষে তিনি বলেন,আমি স্বপ্ন দেখি একটি সুন্দর সকালের,চোখের সামনে ভেঁসে উঠে আশুলিয়া ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের প্রতিচ্ছবি। আমি চেষ্টা করি নতুন নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে। কারণ,আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতি করি। যতদিন বেঁচে থাকবো সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব এবং মানুষকে ভালবেসে যাব।

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com