রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন

মাদ্রাসাশিক্ষক বেয়াইয়ের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা

মাদ্রাসাশিক্ষক বেয়াইয়ের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা

সুনামগঞ্জের ছাতকে বেয়াইয়ের ধর্ষণের শিকার হয়ে ১৩ বছর বয়সী এতিম কিশোরী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। প্রায় তিন মাস আগে একাধিক বার ধর্ষণের শিকার হওয়া কিশোরী সামাজিকভাবে বিচার চেয়ে না পেয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত হাফেজ সোলেমান আলীকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার সকালে সিলেট নগরীর হযরত শাহজালাল (র.) মাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ছাতক থানা পুলিশ। হাফেজ সোলেমান আলী ছাতক উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের জাতুয়া গ্রামের ক্বারী আপ্তাব আলীর ছেলে। হাফেজ সোলেমান আলী হবিগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, পিতৃ-মাতৃহীন ভুক্তভোগী কিশোরী তার একমাত্র বড় ভাইয়ের সঙ্গে বাবার বাড়িতেই বসবাস করে আসছে। গত বছরের ৫ নভেম্বর তার বড় ভাই রাজমিস্ত্রীর কাজে পার্শ্ববর্তী জগন্নাথপুর উপজেলায় যাওয়ার সময় ওই কিশোরীকে জাতুয়া গ্রামের বোনের বাড়িতে রেখে যান। ওই দিন রাতে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তার বোন জামাইয়ের বড় ভাই সোলেমান আলী।

এরপর নানা প্রলোভন ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। একপর্যায়ে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। গ্রামের লোকজনের চাপে বিয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দেন সোলেমান আলী। কিন্তু নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করে একপর্যায়ে বিয়ে করতে অসম্মতি জানায় সোলেমানের পরিবার।

এ ঘটনায় গত ২৫ জানুয়ারি অভিযুক্ত হাফেজ সোলেমান আলীর বিরুদ্ধের ছাতক থানায় অভিযোগ করেন কিশোরীর বড় বোন। এরপর কিশোরী আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে ও তার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ভুক্তভোগী কিশোরী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। তার শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্ত সোলেমান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।’

 

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com