সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এলজি মোবাইল

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এলজি মোবাইল

নিজেদের মোবাইল ফোনের ব্যবসা বন্ধ করার কথা ভাবছে এলজি ইলেকট্রনিকস। ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি যে ব্র্যান্ড নিউ ফোন আনার কথা ছিল তা নির্মাণ বন্ধ করে দিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ডংএ ইলবো জানায়, ‘চলতি বছরের প্রথমার্ধেই ওই ফোনটি বাজারে আনার পরিকল্পনা করছিল সিউলভিত্তিক প্রযুক্তি জায়ান্টটি। গত মাসেই ফোনটির নির্মাণকাজ বন্ধ হয়েছে।’

চলতি বছরের শুরুতে এলজি জানায়, ২০২০ সালে এলজি ইলেকট্রনিকসের মোট আয় হয়েছে ৬৩ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন ওন বা ৫ হাজার ৬৪৫ কোটি ডলার, যা ২০১৯ সালের তুলনায় বেড়েছে ৩১ দশমিক ১ শতাংশ। প্রিমিয়াম গৃহস্থালি সামগ্রী এবং এলইডি টেলিভিশন বিক্রি বৃদ্ধির জেরে কোম্পানিটি রেকর্ড ৩ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন ওন বা ২৮৫ কোটি ডলারের রেকর্ড মুনাফা করেছে। এছাড়া গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রিও এতে ভূমিকা রেখেছে।
এলজির অন্য এক শীর্ষ কর্মকর্তা তখন দ্য কোরিয়া হেরাল্ডকে জানান, ‘মোবাইল ডিভাইসে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা তীব্রতর হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। স্মার্টফোন ব্যবসা বিক্রি, সরে আসা, ছোট করে দেওয়াসহ সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করে দেখছি আমরা।’

গত বছর এলজি মোবাইল কমিউনিকেশনসের আয় হয়েছে ৫ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন ওন বা ৪৬৬ কোটি ডলার। চতুর্থ প্রান্তিকে বিক্রি হয়েছে ১ দশমিক ৩৯ ট্রিলিয়ন ওন বা ১২৪ কোটি ডলার। ২০১৯ সালের একই প্রান্তিকের চেয়ে তা ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়লেও পূর্বের প্রান্তিকের চেয়ে কমেছে ৯ দশমিক ২ শতাংশ। ফোর জি চিপসেটের স্বল্পতা এবং বিদেশের বাজারে প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের বিক্রি কমাতে এ সেগমেন্টে আয় প্রত্যাশামাফিক হয়নি।

উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশন (আইডিসি) বলছে, বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে এখন নেতৃত্বের আসনে স্যামসাং, হুয়াওয়ে, শাওমি, ভিভো ও অ্যাপল। স্মার্টফোনের বাজার দখলে সেগুলোর তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে এলজি।

 

সময়ের ধারা সংবাদটি শেয়ার করুন এবং আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing by Raytahost.com