মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শাক্তা ইউনিয়নে হাজী হাবিবুর রহমান হাবিবের ঈদ উপহার পেয়ে আনন্দিত ৯টি ওয়ার্ডের কর্মহীন মানুষ ২ জুন অধিবেশন শুরু, বাজেট উপস্থাপন ৩ জুন এবারও ঈদুল ফিতরে বায়তুল মোকাররমে ৫ জামাত রূপগঞ্জে পরিবহন শ্রমিকরা পেল বসুন্ধরা ও রংধনু গ্রুপের ঈদ উপহার সামগ্রী শ্রমিকদের দাবির মুখে ছুটি বাড়াচ্ছেন গার্মেন্টস মালিকরা গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় শিশুসহ নিহত ২০ করোনায় বিপর্যস্ত ভারত : মোদিকে সহমর্মিতা জানিয়ে শেখ হাসিনার চিঠি স্বাভাবিক করে দেয়া হলো বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ফেরি চলাচল রূপগঞ্জের কর্মহীন কোন মানুষ অনাহারে থাকবে না – রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম ইসহাক ভূইয়াঁ ফাউন্ডেশন ও জালালপুর ইকো রিসোর্ট এর রামাদান উপলক্ষে মাসব্যাপী আয়োজন
করোনার কোনো প্রভাব নেই তেলের চাহিদা বাড়ছে

করোনার কোনো প্রভাব নেই তেলের চাহিদা বাড়ছে

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে লকডাউন শুরু হলেও জ¦ালানি তেল বিক্রিতে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। গত বছর কোভিডকালে দেশের অভ্যন্তরে জ¦ালানি তেলের চাহিদা অনেক কমে গিয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ছয় হাজার থেকে সাড়ে ছয় হাজার টনে নেমে আসে। তবে এ বছর প্রতিদিন বিক্রি রয়েছে গড়ে সাড়ে ১৩ হাজার টনের মতো।

করোনাকালে তেল বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরশেনের (বিপিসি) পরিচালক বিপণন সৈয়দ মেহেদী হাসান আমাদের সময়কে বলেন, চলতি বছর লকডাউন ঘোষণার আগে তেল বিক্রি ছিল প্রতিদিন ১৫ হাজার টনের ওপরে। এখন সেটা গড়ে ১৩ হাজার করে বিক্রি হচ্ছে। যে পরিমাণ কম এটা খুব সামান্য বিষয়।

কোভিডের কারণে তেল বিক্রিতে কোনো প্রভাবই নেই। তবে গত বছর তেল বিক্রিতে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। ওই সময় তেল বিক্রি প্রতিদিন ছয় হাজার টনে নেমে আসে। বিশ^বাজারে তেলের দামে কোনো প্রভাব পড়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, করোনা আতঙ্কে বিশ্ববাণিজ্য ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও এখনো জ¦ালানি তেলের দাম স্থিতিশীল আছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি (১৫৯ লিটার) এখনো ৩৫ ডলারের মধ্যেই আছে।

বিপিসি সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গত মার্চ মাসের হিসাব যদি ধরা হয়, তবে বিমানের জ¦ালানি তেল জেড এ-১ ২০১৯ সালে গড়ে বিক্রি হয়েছে ১২৭০ টন, গত বছর সেটি ছিল ৮০৮ টন; এ বছর ৯৭৪ টন। পেট্রল বিক্রি ছিল ২০১৯ সালে ৯৭৭ টন, গত বছর ছিল ৯৯৬ টন, চলতি বছর ১১৩২ টন। একই সময়ে

মার্চের হিসাবে অকটেন বিক্রি হয়েছে ২০১৯ সালে ৭৫৩ টন, গত বছর ৭৬৫ টন; চলতি বছর ৯৩৯ টন। ডিজেল বিক্রি হয়েছে মার্চ ২০১৯ সালে গড়ে ১২ হাজার ৪১৬ টন, ২০২০ সালে ১৩ হাজার ৩০৮ টন, চলতি বছর ১৫ হাজার ২১৮ টন। অন্যদিকে ফার্নেস অয়েল বিক্রি হয়েছে গত ২০১৯ সালের মার্চে গড়ে ৮৫৩ টন, ২০২০ সালে ৬১৮ টন এবং চলতি বছর ৬৮৪ টন।

বিপিসি সূত্র জানায়, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কম থাকায় যতটা সম্ভব জ¦ালানি তেল মজুদ করার চেষ্টা করছে সংস্থাটি। তেলের দাম অব্যাহতভাবে কম থাকলে আমদানির জন্য নতুন ঋণপত্র খোলা হবে। দেশের বাজারে সর্বশেষ জ্বালানির দাম কমে ২০১৬ সালের এপ্রিলে। সেই সময় বিপিসির মুনাফা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সংস্থাটির মুনাফা হয় দুই হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। করোনার ধাক্কায় গত ৯ মার্চ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে ২৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। এর আগে ১৯৯০ সালে ইরাক ও কুয়েত যুদ্ধের সময়ে জ্বালানির দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল

 

সময়ের ধারা নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com