শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০২:১৮ অপরাহ্ন

সমন্বয়হীন ডেঙ্গু চিকিৎসা

সমন্বয়হীন ডেঙ্গু চিকিৎসা

দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ করোনা ভাইরাস মহামারীর সঙ্গে লড়াই করছে। গত কয়েক দিনে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও ডেঙ্গু পরিস্থিতি অস্বাভাবিক রূপ ধারণ করেছে। প্রতিদিন রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন কেউ না কেউ। যার সব খবর গণমাধ্যমে আসে না। কারণ ডেঙ্গু সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সরকারের কোনো দপ্তরে নেই। এমনকি এ নিয়ে করও মাথা ব্যথাও নেই। ফলে সমন্বিতভাবে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ

নেওয়া হচ্ছে না। যার সুযোগে ঢাকা ছাড়াও দেশের ১৩ জেলায় রোগটির বিস্তার ঘটেছে। এ বছর শিশুদের আক্রান্তের হার অনেকটা বেশি। এতে ডেঙ্গু চিকিৎসার অবস্থা অনেকটা বেহাল হয়ে পড়েছে। দেশে কোভিড মহামারী চলমান থাকায় রাজধানীর সরকারি পর্যায়ে ৬টি হাসপাতালে ডেঙ্গুর চিকিৎসা হওয়ার কথা। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেটি হচ্ছে না। অন্যদিকে এটিকে সুযোগ মনে করে বেসরকারি হাসপাতালগুলো রোগীদের কাছ থেকে কারণে-অকারণে ইচ্ছামতো অর্থ আদায় করছে।

বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ডেঙ্গু রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেন, চিকিৎসার জন্য তাদের শুধু অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে তাই নয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভোগান্তিতেও পড়তে হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর পরীক্ষা করাতে গেলে দেওয়া হচ্ছে কোভিড টেস্টের শর্ত। বেসরকারি হাসপাতালে গেলে হাজার হাজার টাকার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালগুলো ঘুরে ঘুরে ভর্তির সুযোগ মিলছে না। এমনও ঘটেছে যে, কোভিডের অজুহাতে রোগীদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সঠিক তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা। তারা বলেন, ২০১৯ সালে ডেঙ্গু ভয়াবহ আকার ধারণ করলে রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি ৪১ হাসপাতালে তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা হয়। তারপর থেকে এই সংখ্যা আর বেড়েনি। এখনো ওই হাসপাতালগুলো থেকে পাঠানো তথ্যই সামগ্রিকভাবে প্রচার করা হচ্ছে। যা প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য থেকে অনেক কম। অথচ শুধু ঢাকা শহরেই দুই শতাধিক বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। সাড়ে চারশর ওপরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করা হয় পরীক্ষা। হিসাবের বাইরেই থেকে যাচ্ছে এসব তথ্য। এ প্রসঙ্গে মাইক্রোবায়োলজির অধ্যাপক ডা. শেখ মো. শহীদ উল্লাহ আমাদের সময়কে বলেন, সরকার ঘোষিত ৬টি ডেঙ্গু ডেডিকেটেড হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ব্যবস্থা করতে হবে বিনামূল্যে সব ধরনের ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার। বেসরকারি পর্যায়ে ডেঙ্গু চিকিৎসার মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া যেতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপেরেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ২২৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জনের। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১ হাজার ১৯১ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯৮৮ জন।

জানা গেছে, ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও রাজবাড়ীতে ডেঙ্গু ছড়িয়েছে। খুলনা বিভাগের খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, কুষ্টিয়ায় রোগী শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে এ পর্যন্ত শুধু চট্টগ্রাম জেলায় শনাক্ত হয়েছে রোগটি। রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলায় এবং রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলায় ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বরিশাল বিভাগের বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলায় রোগের বিস্তার ঘটেছে। তবে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে এখনো ডেঙ্গু আক্রান্ত পাওয়া যায়নি।

চিকিৎসকরা বলছেন, এবার ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ২৬.২ শতাংশের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। ১১ থেকে ২০ এবং ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের আক্রান্তে হার যৌথভাবে ১৩.৮ শতাংশ। এ ছাড়া শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ২৪.৬ শতাংশ। ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ৭.৭ শতাংশ। ৫১ থেকে ৬০ এবং ৬০ ঊর্ধ্ব বয়সীদের আক্রান্তের হার যৌথভাবে ৬.২ শতাংশ।

অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়। একইভাবে ফেব্রুয়ারিতে ৯, মার্চে ১৩, এপ্রিলে ৩, মে মাসে ৪৩, জুন মাসে ২৭২ জন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হন। জুলাই মাস থেকে হঠাৎ করেই রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। এই মাসে আক্রান্ত হন ২ হাজার ২৮৬ জন এবং মৃত্যু হয় ১২ জনের। আগস্ট মাসে আক্রান্ত হন ৭ হাজার ৬৯৮ জন এবং মৃত্যু হয় ৩৪ জনের। সেপ্টেম্বরের ১৭ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮৭২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। প্রতিবছর বর্ষাকালে রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শহরগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০১৯ সালে ডেঙ্গুজ্বরে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) পরিচালক ড. মিজানুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক আদেশে রাজধানী ও এর আশপাশের ৬টি হাসপাতালকে ডেঙ্গু ডেডিকেটেড ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালগুলো হলো- স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল, কমলাপুর রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতাল, ২০ শয্যা আমিনবাজার সরকারি হাসপাতাল, মিরপুরের লালকুঠি হাসপাতাল ও কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল। জানা গেছে, ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা চলছে। কিন্তু বাকি হাসপাতালগুলোয় এখনো তেমনভাবে চিকিৎসাসেবা শুরু হয়নি।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় এবং মশা নিয়ন্ত্রণ না করায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। এ অবস্থায় রাজধানীর প্রতিটি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের এক বা একাধিক ওয়ার্ডকে ডেঙ্গু ওয়ার্ড করা যেতে পারে। হাসপাতাল ডেডিকেটিড করার প্রয়োজন নেই। আর ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ না করে চিকিৎসা বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ বিজ্ঞানসম্মত নয়।

সাধারণ লক্ষণ : হঠাৎ তীব্র জ্বর এবং মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, মাংশ পেশিতে ব্যথা হলে বুঝতে হবে ডেঙ্গু হয়েছে। খাবারে অরুচি, বমি বমি ভাব/বমি, পেটে ব্যথা, পাতলা পায়খানা, শরীরে লালচে দানা, গলা ব্যথা, নাক-মুখ বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া এবং সর্দি-কাশি (শিশুদের ক্ষেত্রে) ইত্যাদি ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণ।

বাড়িতে চিকিৎসা : ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর যদি বিপদ চিহ্ন না থাকে তা হলে বাড়িতেই চিকিৎসা নেওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে মুখে পর্যাপ্ত তরল খাবার খেতে পারলে এবং প্রতি ৬ ঘণ্টায় অন্তত একবার প্রস্রাব হলে, সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। স্বাভাবিক খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণযুক্ত তরল খাবার (খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি, ফলের রস, স্যুপ) খেতে হবে। ডেঙ্গুজ্বরে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ব্যথার ওষুধ সেবন করা যাবে না। জ্বর কমাতে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে।

কখন হাসপাতালে : প্রচ- পেটে ব্যথা ও অত্যাধিক পানি পিপাসা থাকলে, ঘন ঘন বমি বা বমি বন্ধ না হলে, রক্তবমি বা কালো পায়খানা হলে, দাঁতের মাড়ি বা নাক থেকে রক্ত পড়লে হাসপাতালে যেতে হবে। এ ছাড়া ৬ ঘণ্টার বেশি সময় প্রস্রাব না হলে, প্রচ- শ্বাসকষ্ট হলে, ডায়রিয়া হলে ও অত্যাধি শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করলে হাসপাতালে যেতে হবে। গর্ভবর্তী মা, নবজাতক শিশু, বয়স্ক রোগী, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ থাকলে এবং শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কমে গেলে অবশ্যই হাসপাতালে যেতে হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৮ সালের ন্যাশনাল গাইডলাইন ফর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু সিনড্রোম ২০২১ সালে অচল বলে মনে হচ্ছে। জাতীয় নির্দেশিকায় বর্ণিত ধারাবাহিকতা মেনে এবারের ডেঙ্গু পথ পাড়ি দিচ্ছে না। গাইডলাইনে রোগীদের মধ্যে এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম ‘খুবই বিরল’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও এবার তা আর বিরল নেই, বরং সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম, অর্থাৎ লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ও হৃৎপি-ের জটিলতা তৈরি হতে সময় লাগছে না।

চিকিৎসকরা বলছেন, ২০১৯ সালে ডেঙ্গু হলে পাঁচ দিনের আগে অবস্থা জটিল হতো না। এ বছরে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে রক্তচাপ নেমে যাচ্ছে, পেটে-বুকে পানি চলে আসছে, রক্তক্ষরণ হচ্ছে, চট করে শকে চলে যাচ্ছে রোগী। এবার ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের রোগীদের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম দেখা যাচ্ছে। গতবার এটা ছিল ৫ থেকে ১০ শতাংশ।

গত ২০ বছর ধরে কীটতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মশার আবাসস্থল ধ্বংসের এবং সমন্বিত মশক ব্যবস্থাপনার মতো বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু মশার প্রজনন মৌসুমে ওষুধ ছিটিয়ে এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে তা কাজে আসবে না। এডিস যেহেতু আবাসিক মশা, তাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে হবে। ডেঙ্গু রোগের বিস্তার এখন দেশব্যাপী। তাই ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা অন্যান্য সিটি করপোরেশনের এডিস নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এডিস মশা জন্মানোর সব উৎসের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি প্রতিষ্ঠা এবং উৎসগুলো ধ্বংস করতে হবে। মনে রাখতে হবে, উপযুক্ত স্থানে এডিসের ডিম দুই থেকে তিন বছর সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। তাই এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করতে হবে।

নিরাপদে থাকতে হলে : ফুলের টবসহ বাসার ভেতরে ও চারপাশে জমে থাকা পানি অবশ্যই ৩ দিনের মধ্যে ফেলে দিতে হবে। তিন দিনের বেশি সময়ের জন্য বাড়ির বাইরে গেলে কমোড ও পানি ডেকে রাখতে হবে। পানির পাত্র উল্টে রাখতে হবে। দিনে ও রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে শরীর ডেকে রাখে এমন কাপড় পরতে হবে।

প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা পরিচালিত (গত ২৯ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট) এক জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির যথাক্রমে পাঁচটি করে সর্বমোট ১০টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সর্বোচ্চ এডিস মশার ঘনত্ব পাওয়া যায়। ঢাকা উত্তরের পাঁচটি ওয়ার্ডের মধ্যে মগবাজার, নিউ ইস্কাটনে মশার ঘনত্ব শতকরা ৫৬ দশমিক ৭ ভাগ, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, নিকুঞ্জে ৪৮ দশমিক ৪ ভাগ, কল্যাণপুর, দারুস সালামে ৪৬ দশমিক ৭ ভাগ, মিরপুর-১০, কাজীপাড়ায় ৪৩ দশমিক ৩ ভাগ, মহাখালী, নিকেতনে ৪০ ভাগ ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া যায়। অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণের বাসাবো, গোড়ানে ৭৩ দশমিক ৩ ভাগ, এলিফ্যান্ট রোড, সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় ৬৬ দশমিক ৭ ভাগ, আরকে মিশন রোড, টিকাটুলীতে ৫০ ভাগ, বনশ্রীতে ৪০ ভাগ, মিন্টো রোড, বেইলি রোডে ৪০ ভাগ এডিস মশার ঘনত্ব পাওয়া গেছে।

 

সময়ের ধারা সংবাদটি শেয়ার করুন এবং আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing by Raytahost.com