• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
Headline
শিল্প-কারখানায় মঙ্গলবার রাত থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী ভারতসহ সব রাষ্ট্রের সঙ্গে মর্যাদাভিত্তিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই: স্পিকার সিজারিয়ানের সময় প্রসূতির মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আগামীকাল সিলেট যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে হুথিরা ইতালি থেকে দেশে ফিরলেন বাঁধন, বিমানবন্দরে যা বললেন উন্নত চিকিৎসায় সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো আহত সেনা কর্মকর্তা মহিউদ্দিনকে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সিরাজদিখানে সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ, ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিতের বিলে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প

Reporter Name / ৭৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ‘জন্মসূত্রে’ নাগরিকত্ব প্রাপ্তির সুযোগ সীমিত করল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন ডোনল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড, জলসীমা এবং আকাশসীমায় যেসব শিশু জন্ম নেবে— তারা সবাই জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। ১৮৬৮ সালে দেশটির গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর গৃহীত হয়েছিল এই সংশোধনী।

এই সংশোধনীর একটি সুনির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটও রয়েছে। অষ্টাদশ এবং উনবিংশ শতকের যুক্তরাষ্ট্রের শ্বেতাঙ্গ বসতি স্থাপনকারীরা তাদের কৃষি খামারের কাজ এবং অন্যান্য শ্রমসাধ্য কাজকর্মের জন্য ক্রীতদাস হিসেবে আফ্রিকা থেকে হাজার হাজার মানুষকে ধরে নিয়ে এসেছিল। ১৭৭৬ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতালাভের প্রায় ৯০ বছর পর ১৮৬১ সালে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে। ১৮৬৮ সালে সেই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ১৩ ও ১৪ তম সংশোধনী গৃহীত হয় মার্কিন সংবিধানে। ১৩ তম সংশোধনীতে দাসপ্রথার বিলোপ সাধন করা হয় এবং এবং দাসদের সন্তানের স্বার্থে ১৪তম সংশোধনীতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বকে স্বীকৃত দেওয়া হয়।

মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের এই সাংবিধানিক ধারার সুযোগ নিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দম্পতিদের যুক্তরাষ্ট্রে আগমনের হার অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দম্পতিদের একমাত্র উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান ভূমীষ্ঠ করার মাধ্যমে নিজেদের সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা। এ ধরনের ভ্রমণকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভাষায় বলা হয় ‘বার্থ ট্যুরিজম’।

গতকাল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ‘বার্থ ট্যুরিজম’ সীমিত করতেই নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প। বর্তমানে বিদেশি কূটনীতিক এবং শত্রু দেশের নাগরিকরা এই সুবিধা পান না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বরাষ্ট্র ও আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার জানিয়েছেন, নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের জেরে যেসব বিদেশী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য এবং মার্কিন নাগরিকত্ব কেনার আশায় যেসব দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ইচ্ছুক— মূলত তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

বিলটি স্বাক্ষরের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়ের সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমাদের জন্মগত নাগরিকত্বকে তারা পুরোপুরি কৌতুক বানিয়ে ফেলেছে। দশকের পর দশক ধরে এই ধারার অপব্যবহার হচ্ছে এবং এটা বন্ধ করা আমাদের দায়িত্ব।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category