• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
Headline
শিল্প-কারখানায় মঙ্গলবার রাত থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী ভারতসহ সব রাষ্ট্রের সঙ্গে মর্যাদাভিত্তিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই: স্পিকার সিজারিয়ানের সময় প্রসূতির মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আগামীকাল সিলেট যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে হুথিরা ইতালি থেকে দেশে ফিরলেন বাঁধন, বিমানবন্দরে যা বললেন উন্নত চিকিৎসায় সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো আহত সেনা কর্মকর্তা মহিউদ্দিনকে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সিরাজদিখানে সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ, ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

ভূরুঙ্গামারীতে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেল কৃষক

অনলাইন ডেস্ক / ৩০ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চাহিদামত সার না পেয়ে বিসিআইসি সার ডিলারের গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা- প্রায় ১০ হাজার ১০০ কেজি ইউরিয়া সার লুট করে নিয়ে গেছে বিক্ষুব্ধ কৃষক। রবিবার (২৩ আগস্ট ) দুপুরে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, রোপা-আমনের ভরা মৌসুমে গত তিন দিন থেকে সার না পেয়ে রবিবার সার দেওয়ার কথা শুনে শিলখুড়ি ইউনিয়নের বিপুল সংখ‍্যক কৃষক সার নিতে সকাল থেকে ধলডাঙা বাজারে অবস্থিত বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার মেসার্স শাহ আমানত এন্টার প্রাইজ ডিলার পয়েন্টে জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ২০২ বস্তা ইউরিয়া সার লুট করে নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ , শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার মেসার্স শাহ আমানত এন্টার প্রাইজ এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমশি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিলো ১৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা সার। তাই বিক্ষুব্ধ কৃষক দরজা ভেঙে সার নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

মেসার্স শাহ আমানত এন্টার প্রাইজ এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল জানান, সর্বশেষ ডিও অনুযায়ী ৩৪০ বস্তা সার আমি উত্তোলন করি। আজ বিতরণের সময় বিপুল সংখ‍্যক কৃষক উপস্থিত হয়। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুদাম ঘরের দরজা ভেঙে ২০২ বস্তা সার লুট করে নিয়ে যায় স্থানীয় কৃষক। অবশিষ্ট ১৩৮ বস্তা ইউরিয়া সার বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। সেগুলো গুদামেই রক্ষিত আছে।ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশের তৎপরতায় বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬০ জন কৃষক ৬০ বস্তা সার ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার জানান, ওই ইউনিয়নে মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা ইউরিয়া সার । এর মধ্যে এবারের ৩৪০ বস্তা সার উত্তোলন করেছেন ওই ডিলার। সার বিতরন চলাকালীন সময়ে কিছু উশৃঙ্খল জনতা ডিলারের গোডাউন ভেঙে ২০২ বস্তা সার জোরপূর্বক নিয়ে যায়। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ জানান,আমি এবং সাকেল এএসপি সাহেব ঘটনাস্থলে আছি ।সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে রিপোর্ট দিব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category