• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
Headline
সৌদির কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা শিল্প-কারখানায় মঙ্গলবার রাত থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী ভারতসহ সব রাষ্ট্রের সঙ্গে মর্যাদাভিত্তিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই: স্পিকার সিজারিয়ানের সময় প্রসূতির মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আগামীকাল সিলেট যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে হুথিরা ইতালি থেকে দেশে ফিরলেন বাঁধন, বিমানবন্দরে যা বললেন উন্নত চিকিৎসায় সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো আহত সেনা কর্মকর্তা মহিউদ্দিনকে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারে প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, মুগ্ধ বে হিলস হোটেলের আতিথেয়তায়

Reporter Name / ৫৩ Time View
Update : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কক্সবাজারের হিমছড়ির মনোরম পাহাড় ও সাগরের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মানের চার তারকা হোটেল বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস-এ তিন রাত-চার দিনের সফরে এসে মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দিঘী। সম্প্রতি গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের এই হোটেলে আসেন অভিনেত্রী দিঘী। অবস্থানকালে হোটেলের পরিবেশ, আতিথেয়তা, সেবার মান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার প্রশংসা করেন তিনি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দিঘী বলেন, কক্সবাজার নিজেই একটা ব্র্যান্ড। কক্সবাজার নামটাই ব্র্যান্ড এবং আমরা যখন বিভিন্ন দেশে যাই, তখন কিন্তু আমরা কক্সবাজারের নামটাই বলি। এটাই কিন্তু একটা ব্র্যান্ড। সো, আমার মনে হয় না যে ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য আর কিছুর প্রয়োজন। আমার মনে হয় দিনে দিনে তারা নিজে— কক্সবাজারের যে জায়গাটা, এটা আসলে নিজেকে নিজেই ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের নতুন অনেক স্পট হচ্ছে,

তিনি আরও বলেন, আমার সমুদ্র খুব ভালো লাগে। আমি কক্সবাজারে আসলে শুঁটকি নিয়ে যাই, কক্সবাজারে কেউ আমার পরিচিত আসলে তাকে দিয়ে শুঁটকি নিয়ে যাই, ফোন করে বলি নিয়ে যেতে। এবং অলরেডি তিন-চারটা শুঁটকির অর্ডার আমি পেয়ে গেছি যে যাওয়ার সময় নিয়ে যেতে হবে।

প্রয়োজন তার থেকেও বেশি আমাদের এখানে অনেক কিছু আছে। আমার একটা অন্যতম প্রিয় জায়গা হচ্ছে কক্সবাজার। এবং আমি ছোটবেলায় যখন আমি কাজ করতাম, তখন আমি মনে হয় প্রায় ১২ থেকে ১৪ বার আমার কক্সবাজার আসা হয়েছে শুটিংয়ের জন্য। প্রতি মাসেই একটা করে শুটিং থাকতো এবং আসতে হতো। এবং এরকমও হয়েছে এক মাসে একাধিকবারও আসা হয়েছে। আমি আমার মা, আমাদের অনেক স্মৃতি আছে এখানে। তো মাঝেও এসেছিলাম এক-দুইবার, তখনও হচ্ছে বিভিন্ন কাজে আসা হয়েছিল, যেমন ছোট শুটে কিংবা বিভিন্ন রকমের ছোট ছোট কাজে আসা হয়েছিল।

দিঘী বলেন, আমি এবার আছি ‘বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস’-এ। যেখানে— লবিতে বসে আমরা কথা বলছি। এবং এবার প্ল্যানিং ছিল এখানেই আসার, কারণ যেহেতু এটা গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের। আর গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের সাথে আমার অনেক আগে থেকেই অনেক ভালো একটা বোঝাপড়া-পরিচয়। তো এই জায়গা থেকে আমি খুব সম্প্রতি তাদের অফিসের একটা মিটিংয়ে গিয়েছিলাম। তো ওই মিটিং থেকে আমি জানতে পারলাম যে এই এখানের হোটেলটা তারা পুরোটাই হচ্ছে তাদের অ্যান্ডারে। এবং মজার কথা হচ্ছে, এই হোটেলটা যখন হয়েছিল, তখন আমার ওপেনিং করার কথা ছিল। কিন্তু আনফরচুনেটলি তখন আমি সৌদি আরবে ছিলাম। আমি মাঝখানে সৌদি আরবে প্রোগ্রাম করতে গিয়েছিলাম আপনারা দেখেছেন, ওই সময়টায় আসলে এই হোটেলটার ওপেনিং হয়েছে এবং তখন আমি আসতে পারিনি। এটা খুবই একটা দুঃখজনক আমার জন্য। তো এবার আমি প্ল্যান করেছিলাম যে যেহেতু তখন আসতে পারিনি, বাট আমি মিস করতে চাই না এই হোটেলের সৌন্দর্য এবং বাকি সব জিনিসপত্র। সো, আমি এবার প্ল্যান করেছিলাম যে হলিডে একটা প্ল্যান করে এখানে আসব। এবং হলিডের পাশাপাশি আমি খুব সুন্দর সুন্দর ছোট ছোট কনটেন্টও করেছি এখানে। আপনারা সামনে আমার ফেসবুক পেজে, গোল্ডস্যান্ডসের ফেসবুক পেজে, বে হিলসের ফেসবুক পেজে দেখতে পারবেন এগুলো সব। এবং আমার খুব ভালো সময় কাটছে, কেটেছে।

এবং খাওয়ার ব্যাপারে যদি বলি, কক্সবাজারের ফেমাস খাবার হচ্ছে শুঁটকি। এবং সি-ফুড আমার অনেক প্রিয়। এখানে আসলে আমি একদম অথেন্টিক সি-ফুডটা পাই, ফ্রেশ সি-ফুড পাই। আমার মনে হয় যে মাত্র মনে হয় নিয়ে এসে সি-ফুডটা আমাকে দিল। সো, এবং বে হিলসের খাবার খুব মজা। আমি এখানেই— মানে বাইরে থেকে আমি প্রেফার করি যে এখানে যেহেতু অনেক হাইজিন এবং অনেক মজার খাবার, সো আমি একেক দিন একেক মেনু ট্রাই করছি। তাদের একেকটা বিশেষত্ব আছে একেক মেনুতে, সো এগুলো ট্রাই করছি। এবং গতকাল যেমন বারবি কিউ সেশনে খেয়েছিলাম, অনেক সি-ফুড খেয়েছিলাম কালকে। তার আগের দিন যেমন আবার শুঁটকি ভর্তা, ভাত— এরকম খাবারও খেয়েছি। সো, মিলিয়ে-ঝিলিয়ে সব খাবার খাওয়া হচ্ছে।

কখনোই মানে খারাপ হতেই পারে না। এবং সবচেয়ে সুন্দর হচ্ছে কক্সবাজারের পানি এখনো সুন্দর, ছোটবেলায় কক্সবাজার যখন দেখেছি তখনও পানি সুন্দর, তখনও পাহাড় গ্রিন। এখনো এই জিনিসটা যে— মানে আমরা এত বছর ধরে যে জিনিসটা ধরে রাখতে পেরেছি, আমার মনে হয় এটাই অনেক সুন্দর।

আমাদের মতো যারা পাবলিক ফিগার কিংবা আর্টিস্টরা যখন আমরা কোথাও ঘুরতে যাই, তখন আমাদের খুব একটা জিনিসে— আমাদের টেনশন থাকে যে আমরা যেকোনো পর্যটক এলাকায় যখন যাচ্ছি, আমরা ভিড় হয়ে যাবে মানুষ আসলে, আমরা মনে হয় ওভাবে চলাফেরা করতে পারব না, ঘুরতে পারব না। কিংবা ফ্রিডম যেটাকে আমরা বলি যে আমরা কিন্তু একটু আড়ালেই থাকি। তখন আমরা কিন্তু দেখা যায় বিচে কম যাই, যেমনটা আমি। আমি কিন্তু বিচে অনেক কম যাই। আমি যতবার এসেছি, আমি কিন্তু আসলে বিচে কোনোবারই যাইনি। অনেকদিন পর এবার বিচে গিয়েছি। এবং আমি যদি বিচে যাই, এরকমভাবে যাই যে একদম আর্লি মর্নিং ৫টা-৬টার দিকে জাস্ট বিচে একটু ১০ মিনিটের জন্য ঘুরে আবার চলে আসি যাতে ভিড়টা না হয়ে যায়। এবং আমার কাছে সবচেয়ে প্রেফারেবল হচ্ছে যে একদম সমুদ্রের পাশের হোটেল। কারণ, আমি আমার বারান্দা দিয়ে বিচ দেখতে পছন্দ করি। আমার কাছে এটিই একটা শান্তি লাগে। সো, আমার মনে হয় দিস ইজ ওয়ান অব দ্য বেস্ট হোটেল ওইটার জন্য। কারণ, আমি বারান্দা দিয়ে উপভোগ করতে পারি। এবং আমার বিচে যাওয়ার যে টেনশনটা, যে এই এবার যাওয়া হলো না, এই আক্ষেপটা থাকে না।

এখানে হসপিটালিটিটা চমৎকার। মানে, আমি পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলব যে যখন ফোন দিয়েছি রুম সার্ভিস, তখনই এসেছে। তখনই আমার জিনিসটা পেয়ে গেছি এবং তারা যে টাইম লিমিটটা দেয় যে সাপোজ একটা খাবার আসতে ২০ মিনিট, তারা চেষ্টা করে ২০ মিনিটের আগেই দেওয়ার। সো, এই যে সিনসিয়ারিটি অ্যান্ড এই যে কেয়ারফুল কিংবা এই যে কেয়ারটা, এই যে আদর-ভালোবাসাটা কিংবা এই যে তাদের পক্ষ থেকে যে জিনিসটা আসছে আমাদের কাছে, এটা আমার খুব ভালো লেগেছে। এবং মানে এই এই জিনিসটা আমি চাই— তাদের তো আরও অনেকগুলো হোটেল হচ্ছে, গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের আরও অনেকগুলো হোটেল হচ্ছে। সো, যেহেতু এবার এসে আমার খুব ভালো লেগেছে।  আমি জাস্ট ওয়েট করছি বাকি দুইটা কবে হবে, আমি বাকি দুইটাতেও এসে এরকম হলিডে করতে আসব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category