• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
Headline
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ভবন ধসে নিহত ২০, ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ বহু একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্পসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন বিলুপ্ত র‍্যাব, যাত্রা শুরু এসআরবির চীনসহ এশিয়ায় স্বাস্থ্য সহযোগিতা বৃদ্ধিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ৪ দফা প্রস্তাব মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলার চেষ্টা, প্রতিহত করল সৌদি ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করতে কংগ্রেসে প্রস্তাব পাস সরকারি সফরে জাপানের পথে সেনাপ্রধান টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন জ্যোতি শিমুলিয়া ভূমি অফিসে কাউসারের প্রভাব, নেপথ্যে কার শক্তি? শিশুদের সম্ভাবনা বিকাশে রাষ্ট্র-সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি: জুবাইদা রহমান

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চার আসামি যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলার সব আসামি শুরু থেকেই পলাতক। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে পলাতক থাকা সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

পরে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচারকাজ। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৪ আগস্ট প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে চলে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চায় প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)।

তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ— আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category