শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গী পশ্চিম থানায় বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ একাধিক মাদক কারবারি গ্রেফতার রাশিয়ার তেল আমদানি: বাংলাদেশকে দুই মাসের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র সিলেটে কিশোর গ্যাং দমনে ইতিবাচক পরিবর্তন -সম্ভাবনার পথে তরুণরা :পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম শেরপুরে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ উপহার দেয়ার ঘোষনা দিলেন সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদ  জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা: প্রধানমন্ত্রী টঙ্গী পশ্চিম থানার বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৩ দুবাইয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরীর ইন্তেকাল খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক নিলেন জাইমা রহমান গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি সম্ভব নয় : স্পিকার হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু
আবারো সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল

আবারো সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল

আদালত প্রতিবেদক : আবারো সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ শতবারের মতো পেছাল। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (৭ আগস্ট) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন প্রতিবেদন দাখিল করেনি মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব। এজন্য প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন ঢাকার মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলমের আদালত।

আদালতের শেরে বাংলা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন— বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের সবাইকে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এরপর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক এসআই। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেই থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।

সময়ের ধারা সংবাদটি শেয়ার করুন এবং আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Comments are closed.

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing by Raytahost.com