রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নির্বাচনী পরিবেশ। কায়েতপাড়া ইউনিয়নের মূল ভূখণ্ড থেকে চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। তিন দিকে নদী ও এক দিকে খালবেষ্টিত এই গ্রামে লাখখানেক লোকের বাস। তবে এখানে ভোটার রয়েছে প্রায় বাইশহাজারের মতো। গ্রামের বড় অংশজুড়েই বস্তি। সড়কপথে এই গ্রামে ঢুকতে হলে ডেমরা হয়ে বালু নদের ওপর নির্মিত সেতু পার হতে হয়। ফলে গ্রামে প্রবেশের রাস্তা কার্যত একটি। যাতায়াতের দিক থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এই গ্রামে ছিনতাই, মলম পার্টি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত অনেকে আশ্রয় নেন বলে জানাগেছে। ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে চনপাড়া বস্তিতে এখন বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে। এছাড়াও স্থানীয় মন্ত্রী পুত্রের নির্দেশে আওয়ামীলীগের প্রার্থী জাহেদ আলী দূর দুরান্ত থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে মহড়া দিচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে,দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে সর্বাধিক ঝুকিপূর্ন হিসেবে কায়েতপাড়া ইউনিয়নকে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় প্রশাসন। এ কারনে ইউনিয়নে মোতায়েন করা হয়েছে র্যাব,পুলিশসহ বিপুল সংখ্যক বিজিবি সদস্য। তবে প্রতিক বরাদ্দের পর থেকে প্রতিনিয়ত চলছে দাঙ্গা হাঙ্গামা লুটপাট অগ্নি সংযোগ আর সংঘর্ষ। কায়েতপাড়ার চনপাড়া বস্তিতে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রয়েছে ৫ হাজারের অধিক। এছাড়া বেড়েছে বহিরাগত লোকজনের আনাগোনা। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক) আর তার ছেলে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে। এসব কারনে কোনঠাসা হয়ে পরেছেন প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা। মন্ত্রীপুত্রের উস্কানীমূলক বক্তব্য আরও উত্তপ্ত হচ্ছে ইউনিয়ন। আচরণবিধি লঙ্গন করে প্রতিদিনই চলছে সরকারি দলের মিছিল আর মোটর সাইকেল মহড়া। এসব কারনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ রয়েছে স্থানীয় ভোটারদের মাঝে।