• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

ভারতের ৪ কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দেশটি থেকে জ্বালনি তেল ক্রয়ের অভিযোগে ৪ ভারতীয় কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।সোমবার (২৫ আগস্ট) মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া কোম্পানিগুলো হলো ‘পোর্টিস পার্টনার এলএলপি’, ‘সদাশিব ওভারসিজ লিমিটেড’, ‘পিআর সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড’ এবং ‘প্রাক্রুতিস ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড’। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের এই চার কোম্পানি ইরান থেকে আমদানি, মজুত, স্থানান্তর, বিক্রয় এবং ইরানকে তেল রপ্তানিতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বিভিন্ন ভূমিকায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত।

আরও বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধাভিযান ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিযানের অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যেসব ব্যক্তি ও কোম্পানি ইরানের সামরিক বাহিনী এবং জ্বালানি খাতের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে সংশ্লিষ্ট— তাদের সবার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতাতেই ভারতের এই চার কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন প্রসিডেন্ট ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানকে আমি ছাড়া আর কেউ চুক্তির জন্য এত সুযোগ-সুবিধা, এত ছাড় দেয়নি। এটা তাদের জন্য দুঃখজনক যে তারা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে আজ আমি ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করছি। এ অভিযান এতটা বিধ্বংসী হবে যে এর আগে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন অভিযান হয়নি। এটা হবে একটি অর্থনৈতিক যুদ্ধ এবং এর জেরে ইরান আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে অভূতপূর্ব মাত্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ইরানের প্রতি মিত্রভাবাপন্ন দেশগুলোকে হুঁশিয়ারিও দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প; বলেন, আমি আরও ঘোষণা করছি যে (অভিযান চলাকালে) কোনা দেশ যদি তার অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, বিমান বন্দর অথবা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যকে ইরানকে কোনো প্রকার সহযোগিতা প্রদান করে, সেক্ষেত্রে সেই দেশকেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি ভুগতে হবে। তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন, ভুয়া কোম্পানি – এই সবকিছু এখন থেকে বন্ধ হতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category