• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
Headline
জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কৌশলগত নেতৃত্ব গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর একটি মহল ডিসেম্বর ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে : প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে আবারও শ্রমিক বিক্ষোভ, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে ফের মহাসড়ক অবরোধ চলমান সংকট নিরসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে গার্মেন্টস মালিক নেতাদের বৈঠক পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন: মন্ত্রীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক গাজীপুরে ঝুটের গুদামে আগুন, বিজিবির পাহারায় ফায়ার সার্ভিস সৌদি আরব থেকে ১০ কোটি টাকা ফেরত পেলেন বাংলাদেশি হজযাত্রীরা

আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১৪০ কিমি

অনলাইন ডেস্ক / ২১ Time View
Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রম শুরু হয়। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, এ প্রক্রিয়া আরও কয়েক ঘণ্টা চলতে পারে। খবর এনডিটিভির।

বুধবার সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে প্রকাশিত আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। এ সময় এর কেন্দ্র নারসাপুর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পূর্বে, ইয়ানাম থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কাকিনাড়া থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং মাচিলিপত্তনম থেকে ৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে ছিল।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি প্রায় একই জায়গায় অবস্থান করছে। এর উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া আরও দুই ঘণ্টা চলতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ ছাড়া স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১ থেকে ১.৫ মিটার বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। এতে অন্ধ্রপ্রদেশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশার কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বিবেচনায় রাজ্য দুটি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ২৮ অক্টোবর ভোর ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে রাজ্যটির বিভিন্ন এলাকার মধ্যে বিশাখাপত্তনমেই সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া কলিঙ্গপত্তনমে ১৪৭ মিলিমিটার, কাকিনাড়ায় ১১৮ মিলিমিটার এবং মাচিলিপত্তনমে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ওডিশার গঞ্জাম ও বালাসোরসহ কয়েকটি জেলাতেও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধ ও বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category