শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গী পশ্চিম থানায় বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ একাধিক মাদক কারবারি গ্রেফতার রাশিয়ার তেল আমদানি: বাংলাদেশকে দুই মাসের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র সিলেটে কিশোর গ্যাং দমনে ইতিবাচক পরিবর্তন -সম্ভাবনার পথে তরুণরা :পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম শেরপুরে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ উপহার দেয়ার ঘোষনা দিলেন সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদ  জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা: প্রধানমন্ত্রী টঙ্গী পশ্চিম থানার বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৩ দুবাইয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরীর ইন্তেকাল খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক নিলেন জাইমা রহমান গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি সম্ভব নয় : স্পিকার হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু
শিশু সামিউল হত্যায় মা ও পরকীয়া প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

শিশু সামিউল হত্যায় মা ও পরকীয়া প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

শিশু খন্দকার শামিউল আজিম ওয়াফি (৫) হত্যা মামলায় মা আয়শা আক্তার হুমায়রা ও তার পরকীয়া প্রেমিক শামসুজ্জামান বাক্কুর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর মামলাটির রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ২০ ডিসেম্বর নতুন করে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়। গত ২৩ নভেম্বর মামলাটির রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৩ জুন পরকীয়া প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কুর সঙ্গে শিশুটির মা আয়শা আক্তার হুমায়রার অনৈতিক কোনো ঘটনা দেখে ফেলায় প্রথমে শামিউলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুম করতে ফ্রিজে ঢোকানো হয়। এর পরদিন লাশটি বস্তায় ঢুকিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। পরে সামিউলের লাশ আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা কে এ আজম বাদী হয়ে ওই বছরের ২৪ জুন আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আয়শা এবং বাক্কু উভয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আসামি দুজন জামিনে পলাতক রয়েছেন।

২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর আয়শা ও বাক্কুর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহান হক। মামলাটিতে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

 

সময়ের ধারা সংবাদটি শেয়ার করুন এবং আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Comments are closed.

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing by Raytahost.com