“পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পূণর্বাসনের তৎপরতায় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি তত্ত্বাবধানে কিছু দল বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা করছে। এখন তাঁরা বিএনপির মুখোমুখি হচ্ছে কারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সরকার গঠন করবে বিএনপি এতে তাদের হালুয়া-রুটি বন্ধ হয়ে যাবে। এরই জন্য তারা সংঘবদ্ধভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে যেসব মব সৃষ্টি করে চলেছে তা নিম্নরুপ —
★সারাদেশে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গুলোতে দোসরদের অভয়ারণ্য কিছু মীর জাফরের পদায়ন করানো। এটি মোটামুটি সফল মিশন কারন সমগ্র বাংলাদেশে সকল কমিটি গুলো (৫আগষ্ট পরবর্তী) পর্যালোচনা করলে দেখা যায় কমিটিতে হয় সরাসরি ফ্যাসিস্ট নয়তো গত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট সরকারের আঁতাত কারীরা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং দয়া দক্ষিণার হালুয়া রুটির নৈরাজ্য সচল রেখে বিএনপির বিরুদ্ধে মব সৃষ্টি করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এর কারনে কমিটি গঠন করার প্রক্রিয়ায় ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করার নীরব কান্নার খেলা।
★জুলাইয়ের রক্তের উপর পাঁ দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় যেতে চায়, সুতরাং যে কোনভাবে নির্বাচন বানচাল করতে হবে। এটাকে ইস্যু করে রাষ্ট্রীয় মদদে নির্বাচন পেছানোর মব সৃষ্টি করার অপচেষ্টা দেশবিরোধী শক্তির।
★আগামী নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ আসনেই জয়ী হতে পারে তাই ছোট দলগুলো সংসদে যেতে হলে নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে করাতে হবে, তার মানে হলো মোট প্রাপ্ত ভোটের শতকরা আনুপাতিক হাড়ে আসন বন্টন হবে। তাই ঢালাও প্রচারে দেশবিরোধী শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলো।
=তাদের ৪র্থ টার্গেট ছিলো:
★পতিত সরকারের কিছু অপরাধীদের বিএনপিতে পুশইন করিয়ে আড়ালে থেকে কিছু দলীয় লোভী ও বাটপারদের দ্বারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সংগঠিত করানো যাতে করে বিএনপির বিরুদ্ধে মব তৈরি করা যায় এবং তা জনসম্মুখে প্রকাশ করে বিএনপিকে বিতর্কিত করা যায়।
★জনসম্মুখে বিএনপিকে হেয় প্রতিপন্ন করা। এজন্য সরকারের মদদে অনলাইনে প্রতিহিংসাপরায়ণ প্রচারনা চালিয়ে রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে চিহিৃত ফ্যাসিস্ট দোসর।
=তাদের ৬ষ্ঠ টার্গেট ছিলো:
★পরিকল্পিত ইস্যু মোতাবেক বিএনপির বিরুদ্ধে মব সৃষ্টি করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে ফায়দা হাসিল করা তথা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা। এ লক্ষ্য মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে নৃশংসভাবে যুবদল কর্মীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করিয়ে তার ভিডিও এমনভাবে ভাইরাল করা যাতে করে সারাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগের মত করে বিএনপির বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়, সে লক্ষ্য জামাত শিবির এনসিপি চরমোনাই মাঠে নেমেছিলো বিএনপির বিরুদ্ধে কিন্তু এই ষড়যন্ত হাঁটে হাঁড়ি ভেঙে যায়।
★বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মব সৃষ্টি করা এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য, স্লোগানে স্পর্শকাতর প্রচারনা করে সারাদেশে গোলযোগ সৃষ্টি করে নির্বাচনহীন শাসনব্যবস্থা কায়েম করে মসনদের চিরস্থায়ী ক্ষমতার বন্দোবস্ত করা।
√°এনসিপি/জামায়াত’রা মূলত ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পাতানো ফাঁদে পাঁ দিয়ে পর্দার আড়ালে সংগঠিত পতিত শক্তি আওয়ামী লীগকে বিএনপির বিরুদ্ধে সরাসরি দেশবিরোধী বেঈমানদের পাশে রেখে যুদ্ধের ময়দানে বিএনপিকে কাবু করে তাদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার একটি সু-কৌশল খেলা।
✓°অপরদিকে-
টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে ঢাকায় প্রতিটি ওয়ার্ডে লোকজন জড়ো করছে পলাতক হাসিনার সূর্য সন্তানরা। লক্ষ্য সারা ঢাকা শহরে ষড়যন্ত্রকারীদের ভিতরে ছদ্মবেশে পতিত সন্ত্রাসীদের মিশিয়ে দিয়ে একযোগে গোলযোগ তৈরি করা। ওদেরকে কে বা কারা সহায়তা করবে তা আমাদের সবারই জানা।
✓°তবে জামাত-এনসিপি এক্টিভিস্টরা যতই গুতাগুতি করুক, ওরা দাঁড়াতে পারলে বিএনপিকে আবারো রক্ত বিসর্জন দিতে হবে হয়তো আবারো গুম হতে হবে, খুন হতে হবে, মামলার গ্লানি টানতে হবে, কারান্তরীণ থাকতে হবে শুধুমাত্র দলপ্রেমীক ত্যাগীদেরকে, কারন সুবিধাভোগীরা সব সময় নিরাপদ ছিলো, আছে এবং থাকবে। একটু খেয়াল করলে দেখবেন দলের প্রয়োজনে পদধারীরা নিরব থাকলেও ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীরাই বিনা স্বার্থে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দলকে বিপদমুক্ত করে। এ নিয়ে কি বিন্দুমাত্র সন্দেহ কারো আছে কি?
বিঃদ্রঃ সকলেই চোঁখ-কান খোলা রাখুন। সজাগ থাকুন, এনসিপি-জামাত-চরমোনাই যতই ষড়যন্ত্র করুক লোভের বশবর্তী হয়ে, আমরা বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মী সজাগ থেকে আসন্ন বিপদমুক্ত রাখবো আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে।
সবার আগে বাংলাদেশ


বাবু চৌধুরী
পদহীন ত্যাগীদের তালিকায় থাকা একজন দলপাগল। ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন কারন আমার ধারনা ভুল হতেও পারে।