রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
১২ কেজি সিলিন্ডারে বাড়ল ২১২ টাকা, বিপাকে সাধারণ মানুষ এনসিপিতে জুলাই আন্দোলনের ৩০ জনের যোগদান পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, দেশে বাড়নো দুঃখজনক: জামায়াত আমির সৌদি পৌঁছেছেন ৪৪৫৭ জন হজযাত্রী তেলের দাম বাড়লেও সরবরাহ সংকটে কমছে না ভোগান্তি জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ল টঙ্গী পশ্চিম থানার সাফল্য—দ্রুত অভিযানে অপহৃত উদ্ধার, ৫ অপহরণকারী গ্রেফতার টঙ্গীতে রাতের অভিযানে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি আটক, স্বস্তি এলাকাবাসীর কাপ্তাইয়ে মঞ্চ সংগীত শিল্পীদের নবীন বরণ ও বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত
পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী

পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটেও আমরা এতদিন দাম বাড়াইনি, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে এখন জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। একইসঙ্গে মূল্য সমন্বয়ের পরও জ্বালানিতে সরকারের ভর্তুকি পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়নি।

বরং এখনও ভর্তুকি বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি। রোববার (১৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি কার্যত ‘যুদ্ধকালীন অবস্থার’ মতো যেখানে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বেড়েছে। বিশ্ব তাদের তেলের দাম সমন্বয় করেছে।

এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও তেলের দাম বাড়িয়েছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দাম অপরিবর্তিত রেখেছিল। তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর আমদানি করা জ্বালানির যে মূল্য পড়েছে, তার চেয়ে কম দামে এতদিন সরবরাহ করা হচ্ছিল। ফলে সরকারকে বাধ্য হয়ে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে জ্বালানি আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সরকার প্রতি লিটার জ্বালানিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত মূল্য সমন্বয় করেছে, যা বাজারে বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, মূল্য সমন্বয়ের পরও জ্বালানিতে সরকারের ভর্তুকি পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়নি। বরং এখনও ভর্তুকি বহাল রয়েছে। যদিও এর পরিমাণ সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য জানতে মন্ত্রণালয়ের হিসাব পর্যালোচনার পরামর্শ দেন তিনি।এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ মানেই বিরূপ প্রভাব। শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো বিশ্বই এর প্রভাবে আক্রান্ত। আমাদের দেশেও এর প্রভাব পড়বে, এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

এর আগে সরকার জানিয়েছিল, এপ্রিল মাসে জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে না। সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তে সেই অবস্থান থেকে সরে আসতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।মন্ত্রী বলেন, আমরা এতদিন দাম বাড়াইনি, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে এখন বাধ্য হয়েছি।বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সরাসরি পরিবহন খরচ বাড়াবে, এর প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যেতে পারে।

সামগ্রিকভাবে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে, এবং এর প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সময়ের ধারা সংবাদটি শেয়ার করুন এবং আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing by Raytahost.com