আবদুর রহিম বলেন, ‘আমিসহ তিন-চারজন থাকার জন্য এক ঘরের একটি টিনের বাসা ভাড়া নিয়েছি। সেখানে রান্নার ব্যবস্থা নেই। ওয়াশরুমও ভালো না। সাধারণ হিসাবে এই ঘরের ভাড়া দুই-তিন হাজারের বেশি হওয়া উচিত নয়। কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে ১০ হাজার টাকা। আমার পরে যাঁরা সেখানে অন্য বাসা ভাড়া নিয়েছেন, তাঁদের আরও বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।’
কাঞ্চন ব্রিজ এলাকায় একটি দোকানে চা বিক্রি করেন স্থানীয় বাসিন্দা সোহরাব মিয়া। তিনি জানান, বাসার ভাড়া নেওয়ার চাহিদা বেশি থাকায় কাছাকাছি এলাকার বাড়িওয়ালারা বাসাভাড়া অনেক বাড়িয়ে দিয়েছেন। বাড়তি টাকার আশায় অনেকে আবার নিজেদের ব্যবহার করা রুম খালি করে দিয়ে ভাড়া দিয়েছেন।
বেশি নেওয়া হচ্ছে খাবারের দামও। খাবারের বাড়তি দাম নিয়ে অভিযোগের কথা জানান অপর এক স্টলের বিক্রয়কর্মী মহসিন উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘আমরা তিনজন বিক্রয়কর্মী থাকার জন্য যে বাসা নিয়েছি, সেখানে রান্নার ব্যবস্থা নেই। মেলাস্থলের ক্যানটিনে খেয়ে পোষাবে না, তাই কাঞ্চন ব্রিজ বা পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে খাবার আনাই। কিন্তু সে খাবারের দামও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি নেওয়া হচ্ছে। খাবারের মানও খারাপ।’
