• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৩ গণমাধ্যমের মামলা

অনলাইন ডেস্ক / ২৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে যুক্তরাষ্ট্রের তিন শীর্ষ গণমাধ্যম সিএনএন, এমএস নাউ এবং পলিটিকো। বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে সোমবার ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলায় ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের লক্ষ্যে একটি জরুরি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার (টেম্পোরারি রিস্ট্রেইনিং অর্ডার) আবেদন জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম তিনটি। চলতি সপ্তাহেই বিষয়টির ওপর জরুরি শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এক যৌথ বিবৃতিতে সংবাদমাধ্যম তিনটি উল্লেখ করে, ‘এই পদক্ষেপ প্রতিরোধ করা না হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের মৌলিক অধিকারকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। গণমাধ্যমে কী প্রকাশিত বা প্রচারিত হবে, তা নির্ধারণ করার এখতিয়ার সরকারের নেই।’

এর আগে, গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কথা জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরবর্তীতে সোমবার দেওয়া অপর এক পোস্টে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন তিনি।

কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তিনি লেখেন, ‘হোয়াইট হাউস স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর কোনো আক্রমণ চালাচ্ছে না, বরং বস্তুনিষ্ঠতাহীন সংবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ ধরনের গণমাধ্যম জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এবং এদের অবিলম্বে প্রতিহত করা প্রয়োজন।’

উল্লেখ্য, হোয়াইট হাউস টেলিভিশন পুলের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি প্রধান গণমাধ্যমের অন্যতম একটি সিএনএন। বাকি চারটি প্রতিষ্ঠান হলো এবিসি, সিবিএস, ফক্স নিউজ ও এনবিসি। এই পাঁচ সংবাদমাধ্যম যৌথভাবে প্রেসিডেন্টের সংবাদ কভারেজের ব্যয়ভার বহন করে এবং পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশজুড়ে অন্যান্য গণমাধ্যমে ভিডিও ফুটেজ সরবরাহ করে থাকে।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্ক সফরে গেলে সেই সংবাদ কভার করার দায়িত্বে ছিল সিএনএন। তবে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার কারণে সিএনএন পুল ফিড সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়।

প্রতিবাদস্বরূপ অন্য প্রধান টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলোও প্রেসিডেন্টের পুল কভারেজ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এর ফলে হোয়াইট হাউসের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানগুলোর ভিডিও সরবরাহ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category