বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়ল ভারি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস সহায়তা দেবে সরকার :প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালীর এমপিওভুক্ত কলেজে চরম অনিয়ম: ৪০ শিক্ষকের মধ্যে উপস্থিত মাত্র ২, নেই শিক্ষার্থী বন্যার পূর্বাভাস, নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু পুলিশে নতুন করে ১৪ হাজার ৫০০ পদ সৃষ্টি হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোয়ালন্দে ‘পার্টনার’ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: স্বজনপ্রীতিতে বঞ্চিত কৃষক, তদন্তের দাবি ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগে মধুপুর ছকিরননেছা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ে তদন্ত, ভিডিও ভাইরাল, সত্যতা মিলেছে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ইরানের : রাশিয়া মানবিক রাষ্ট্র গড়তে চাই, যেখানে সবাই ন্যায়বিচার পাবেন: প্রধানমন্ত্রী
কলোরেক্টাল ক্যানসার, আপনি কি ঝুঁকিমুক্ত

কলোরেক্টাল ক্যানসার, আপনি কি ঝুঁকিমুক্ত

রিক পরিশ্রম ইত্যাদি কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

কলোরেক্টাল ক্যানসারের লক্ষণ : পায়ুপথে বা মলদ্বারে রক্তক্ষরণ বা মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া। মল ত্যাগের স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিবর্তন লক্ষ্য করা। মলের রঙ গাঢ় লাল বা কালো বর্ণের হওয়া। তলপেটে কিংবা মলদ্বারে ব্যথা অনুভব হওয়া। অত্যধিক ওজন হ্রাস পাওয়া। পেটফাঁপা বা ক্ষুধামান্দ্য বোধ হওয়া। শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করা।

যখন ডাক্তারের কাছে যাবেন : উল্লিখিত এক বা একাধিক উপসর্গ বা লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কলোরেক্টাল ক্যানসার প্রতিরোধে করণীয় : দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় আঁশজাতীয় খাবার, যেমন- টাটকা শাকসবজি, ফলমূল যুক্ত করুন। উচ্চ চর্বিযুক্ত খাদ্য, যেমন- গরু ও খাসির মাংস, ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। দৈনিক কমপক্ষে ২-৩ লিটার পানি পান করুন। নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলুন। শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ধূমপান, মদ্যপান শুধু ক্যানসার নয়, অন্যান্য অনেক প্রাণঘাতী রোগের কারণ। তাই ধূমপান, মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন। বয়স ৪৫ বছর বয়সের বেশি হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ক্যানসার স্ক্রিনিং করুন।

কলোরেক্টাল ক্যানসার স্ক্রিনিং : বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। আপনার যদি কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে থাকে, তা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কলোরেক্টাল ক্যানসার নির্ণয়ে বিভিন্ন ধরনের টেস্ট করা হয়ে থাকে। যেমন- ফিকাল অকাল্ট ব্লাড টেস্ট ( প্রতিবছরে ১ বার)। ফিকাল ইমিউনোকেমিক্যাল ব্লাড টেস্ট (প্রতিবছরে ১ বার)। ফ্লেক্সিবল সিগময়েডস্কোপি (প্রতি ৫ বছরে ১ বার)। ডাবল কন্ট্রাস্ট ব্যারিয়াম এনেমা (প্রতি ৫ বছরে ১ বার)। কোলোনোস্কপি (প্রতি ১০ বছরে ১ বার)। তবে সবার জন্য এক ধরনের টেস্ট উপযুক্ত নাও হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

কলোরেক্টাল ক্যানসারের চিকিৎসা : কলোরেক্টাল ক্যানসারের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়ে থাকে। ক্যানসার কোন পর্যায়ে আছে, তার ওপর ভিত্তি করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কোন চিকিৎসা কোন রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা ঠিক করে থাকেন। বর্তমানে বাংলাদেশেই কলোরেক্টালসহ অন্যান্য ক্যানসারের সুষ্ঠু চিকিৎসা সম্ভব। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেক হাসপাতালে ক্যানসারের সুচিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

লেখক : ব্রেস্ট, খাদ্যনালি ও কলোরেক্টাল ক্যানসার বিশেষজ্ঞ সার্জন; অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগ এনআইসিআরএইচ

সময়ের ধারা সংবাদটি শেয়ার করুন এবং আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Comments are closed.

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing by Raytahost.com