বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি ​চট্টগ্রাম মঞ্চ সংগীত শিল্পী সংস্থার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু–চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক সংসদ ভবনে সরকার দলীয় এমপিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা চাওয়ার ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি ঢাকা থেকে আরো ২৮ ফ্লাইট বাতিল, ১২ দিনে ৩৯১ ইরানের বিপ্লবী বাহিনীর ‘সবচেয়ে শক্তিশালী’ অভিযান শুরু ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
কলোরেক্টাল ক্যানসার, আপনি কি ঝুঁকিমুক্ত

কলোরেক্টাল ক্যানসার, আপনি কি ঝুঁকিমুক্ত

রিক পরিশ্রম ইত্যাদি কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

কলোরেক্টাল ক্যানসারের লক্ষণ : পায়ুপথে বা মলদ্বারে রক্তক্ষরণ বা মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া। মল ত্যাগের স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিবর্তন লক্ষ্য করা। মলের রঙ গাঢ় লাল বা কালো বর্ণের হওয়া। তলপেটে কিংবা মলদ্বারে ব্যথা অনুভব হওয়া। অত্যধিক ওজন হ্রাস পাওয়া। পেটফাঁপা বা ক্ষুধামান্দ্য বোধ হওয়া। শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করা।

যখন ডাক্তারের কাছে যাবেন : উল্লিখিত এক বা একাধিক উপসর্গ বা লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কলোরেক্টাল ক্যানসার প্রতিরোধে করণীয় : দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় আঁশজাতীয় খাবার, যেমন- টাটকা শাকসবজি, ফলমূল যুক্ত করুন। উচ্চ চর্বিযুক্ত খাদ্য, যেমন- গরু ও খাসির মাংস, ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। দৈনিক কমপক্ষে ২-৩ লিটার পানি পান করুন। নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলুন। শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ধূমপান, মদ্যপান শুধু ক্যানসার নয়, অন্যান্য অনেক প্রাণঘাতী রোগের কারণ। তাই ধূমপান, মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন। বয়স ৪৫ বছর বয়সের বেশি হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ক্যানসার স্ক্রিনিং করুন।

কলোরেক্টাল ক্যানসার স্ক্রিনিং : বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। আপনার যদি কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে থাকে, তা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কলোরেক্টাল ক্যানসার নির্ণয়ে বিভিন্ন ধরনের টেস্ট করা হয়ে থাকে। যেমন- ফিকাল অকাল্ট ব্লাড টেস্ট ( প্রতিবছরে ১ বার)। ফিকাল ইমিউনোকেমিক্যাল ব্লাড টেস্ট (প্রতিবছরে ১ বার)। ফ্লেক্সিবল সিগময়েডস্কোপি (প্রতি ৫ বছরে ১ বার)। ডাবল কন্ট্রাস্ট ব্যারিয়াম এনেমা (প্রতি ৫ বছরে ১ বার)। কোলোনোস্কপি (প্রতি ১০ বছরে ১ বার)। তবে সবার জন্য এক ধরনের টেস্ট উপযুক্ত নাও হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

কলোরেক্টাল ক্যানসারের চিকিৎসা : কলোরেক্টাল ক্যানসারের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়ে থাকে। ক্যানসার কোন পর্যায়ে আছে, তার ওপর ভিত্তি করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কোন চিকিৎসা কোন রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা ঠিক করে থাকেন। বর্তমানে বাংলাদেশেই কলোরেক্টালসহ অন্যান্য ক্যানসারের সুষ্ঠু চিকিৎসা সম্ভব। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেক হাসপাতালে ক্যানসারের সুচিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

লেখক : ব্রেস্ট, খাদ্যনালি ও কলোরেক্টাল ক্যানসার বিশেষজ্ঞ সার্জন; অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগ এনআইসিআরএইচ

সময়ের ধারা সংবাদটি শেয়ার করুন এবং আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Comments are closed.

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing by Raytahost.com