শাহিন চৌধুরী: ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ কেরানীগঞ্জ জিনজিরা সদর দপ্তরে কর্মরত মোশাররফ হোসেন নান্নুর ( এজিএম)ওএন্ডএম) একান্ত গুপ্তচর মিরাজ হোসেনের সন্ধান মিলেছে। মোশাররফের ট্রান্সমিটারের টোকেন বাণিজ্য সহ তার গুপ্তচর মিরাজের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষ একক ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে চাইলে গ্রাম ইলেকটিশিয়ানের সহযোগিতায় ট্রান্সমিটারের জন্য আবেদন করলে ভোগান্তির সেষ থাকেনা। অভিযোগে একাধিক ইলেক্ট্রিশিয়ানরা বলেন, জিনজিরা সদরে ট্রান্সমিটার আনতে গেলে মোশাররফকে টাকা না দিলে তিনি আমাদেরকে নানা অযুহাত দেখিয়ে ট্রান্সমিটার থাকা সত্ত্বেও। আমাদেরকে বলেন এখন স্টোরে ট্রান্সমিটার নেই বলে বিদায় করে দেন।
কিন্তু একটু পরে অন্য কেও ৫০ হাজার থকে ১ লাখ টাকা দিলেই মোশাররফ তাকে একটি টোকেন ধরিয়ে দিলেই তাহা স্টোর কিপারের কাছে জমা করলেই মিলে ট্রান্সমিটার। এদিকে মিরাজ কখনো নিজেকে পরিচয় দেন সেনা সদস্য, কখনো পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতি নিয়তো সাধারণ মানুষ সহ পল্লী বিদ্যুতে কর্মরত একাধিক কর্মচারীদের ভয় ভিতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন মিরাজ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন,পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ এর জুনাল অফিস আটিবাজার শাখা ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ( ডিজিএম) ও ওয়ার্নিং ইন্সপেক্টর আতাউর রহমানের দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে খবরের পাতায় প্রকাশ হলে। সেই সুযোগে মোশারফ হোসেন নান্নু তার গুপ্তচর মিরাজকে কাজে লাগিয়ে একাধিক ব্যক্তি কাছ থেকে তাদের বদলির কথা বলে ৬০০০০ টাকা হাতিয়ে নেন। মোশারফ হোসেন নান্নুর ছত্রছায়ায় মিরাজ প্রতিনিয়ত একাধিক অপরাধ করলেও ভয়ে মুখ খোলেন না কেউ।
মিটার সংযোগ বিদ্যুতের খুটিতে ওঠে লাইন সংযোগ সহ ট্রান্সমিটারের তার সংযোগ ও গ্রাহকদের ভুলভাল বুঝিয়ে মোটা অংকের টাকা নেয়া সহ অবৈধ কাজের একাধিক ভিডিওর প্রমান মিলেছে। সরেজমিনে অনুসন্ধান করে খোঁজ নিয়ে যানা যায়, মোশাররফ হোসেন নান্নুর ( এজিএম)ওএন্ডএম) ও মিরাজ তাহারা বরিশালের একই জেলার বাসিন্দা হওয়ার কারলে মোশাররফ মিরাজকে কেরানীগঞ্জে তার কর্মস্থলে এনে নিজের গুপ্তচর হিসেবে পাশে রেখে মিরাজকে দিয়ে নানা ভাবে অবৈধ পন্থায় কাজ বাগিয়ে নেন।
অনুসন্ধানে জানাযায়, মিরাজ আওয়ামী লীগের আমলে নেতাদের সাথে সমঝোতা করে চলতেন। এখনো বিএনপির নেতাদের সাথে মিল দিয়ে অন্যের দোষের কথা বলে তাদের কান ভাড়ি করে তাদের নিকটবর্তি হয়ে কাজ বাগিয়ে নেন মিরাজ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিরাজের অনৈতিক কাজ ও তার পরিবারের কথা গনমাদ্ধ্যমকর্মীকে বলেন, হতদরিদ্র ঘরের এক মাত্র সন্তান মিরাজ।গ্রামে বৃদ্ধ বাবা মা স্ত্রীকে ফেলে চলে আসেন ঢাকা কেরানীগঞ্জে।কিছুদিন পরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসার পরিচয় দিয়ে বিয়ে করেন হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে, তার দ্বিতীয় ঘরে এক ছেলে ও মেয়ে, বৃদ্ধ শশুর শাশুড়ি রয়েছে ২জন শেলক একজন রং মিস্ত্রি অন্য জন বোরখার দোকানে কাজ করলেও মিরাজ সবাইকে বলে বেড়ান তার শশুর মশাই বিএনপি বড় নেতা এবার নির্বাচনে দাড়াবেন।
তিনি আরও বলেন, মিরাজ প্রতিনিয়ত বিত্তমানের ছেলে পরিচয় দিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এবং মিরাজ প্রকাশ্যে বলেন বেড়ান,ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ এ কখন কার কোথায় বদলি হবে তিনি আগে থেকে বলে দেন,পরে মোটা অংকের টাকার বিনিময় বদলি ফেরাতেও পারে মিরাজ। সেই সাথে গনমাদ্ধমে একাধিক অডিও ভিডিও জমা পরেছে যাহাতে তিনি বলেছেন, বিআরইবির প্রধান কার্যালয়ে পল্লী বিদ্যুতে নিয়োগের পরীক্ষার সময় সকল প্রশ্ন পেপার তার হাতে চলে আসে।
এবং মিরাজ চাইলে প্রতি মাসে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ থেকে ১০ লাখ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারেন। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, উল্লেখিত বিষয়ের সকল কারিশমার মুলহুতা কেরানীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের মোশাররফ হোসেন নান্নুর ( এজিএম)ওএন্ডএম) গত তারিখে জেনারেল ম্যানেজার খালিদুর রহমানের কাছে মিরাজের একটি ভিডিও যাহা বিদ্যুতের খুঁটিতে ওঠে বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে তাহা প্রেরণ করলে তিনি বলেন ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখিত বিষয়ে টাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ জেনারেল ম্যানেজার মোঃ খালেদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেরাজকে আমি একবার দেখেছিলাম। কিন্তু আমি তাকে চিনি না, আপনাদের খবর প্রকাশের মাধ্যমে উল্লেখিত বিষয় প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply