শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীর অঘোষিত মাদক সম্রাট ফারুক অমিত ঝুটি গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, পিস্তল উদ্ধার বাড়লো গণপরিবহনের ভাড়া দেশের মানুষের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে আলোচনায় রাজি বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ইসির এশিয়ার জলসীমায় ইরানের তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল মার্কিন বাহিনী টঙ্গীর পাগাড়ে অভিযান: অস্ত্র মামলার আসামির তথ্যে পিস্তল-ম্যাগাজিন উদ্ধার, আটক ২ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর ১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার আইন পেশায় ৪০ বছরের বর্ণিল পথচলা: জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবুল হাশেমকে সহকর্মীদের প্রাণঢালা অভিনন্দন
টঙ্গীর অঘোষিত মাদক সম্রাট ফারুক অমিত ঝুটি

টঙ্গীর অঘোষিত মাদক সম্রাট ফারুক অমিত ঝুটি

এ এম লিটন গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি: মাদকের স্বর্গ খ্যাত গাজীপুরের টঙ্গীর আরিচপুর, বউবাজার, মিরাশ পাড়া, নদীবন্দর, মধুমিতাসহ আশপাশের এলাকার গড়ে উঠেছে বিশাল মাদক সিন্ডিকেট। নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা, গাঁজা, দেশী বিদেশী মদ, হেরোইন ও ফেনসিডিল ব্যাবসার পুরো নিয়ন্ত্রণ এই সিন্ডিকেটের হাতে। ব্যাবসার নিরাপত্তার স্বার্থে গড়ে তোলা হয়েছে একাধিক কিশোরগ্যাং ও সন্ত্রাসী বাহিনী। এই সিন্ডিকেটের অঘোষিত সম্রাট ফারুক অমিত ঝুটি।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, কহর দরিয়ার পারে গড়ে উঠা প্রাচীন শিল্প নগরী টঙ্গীর আরিচপুর, বউবাজার, মিরাশ পাড়া, নদীবন্দর এলাকা প্রাচীন কাল থেকে ঘন বসতিপূর্ণ। টঙ্গী বিসিকের পার্শ্ববর্তী এলাকা হওয়ায় এখানে নিন্ম আয়ের শ্রমজীবী মানুষের বসবাস।

সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এই অঞ্চলে বিশাল অপরাধের সম্রাজ্য তৈরি করা অভিযোগ উঠেছে মাদক কারবারি ফারুক উরফে কুত্তা ফারুক ও অমিত হাসান শেখের বিরুদ্ধে। একাধিক বার গ্রেফতার হওয়া এই ঝুটির অন্যতম প্রধান ফারুক ওরফে কুত্তা ফারুকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা। নিন্ম আয়ের পরিবারে জন্ম নিয়েও কয়েক বছরের মাদক ব্যাবসায় এখন সে কোটি টাকার সম্পদের মালিক। তার সহযোগী অমিতের বিরুদ্ধেও রয়েছে আটটি মামলা। একাধিক বার জেলে গেলেও জামিনে মুক্ত হয়েই বারবার জড়িয়েছেন অপরাধ কর্মকান্ডে।
তাদের সেকেন্ড ইন কমান্ড আল আমিনের বিরুদ্ধেও রয়েছে প্রায় এক ডজন মামলা। অপর সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন সিহাবের বিরুদ্ধেও রয়েছে প্রায় হাফ ডজন মামলা।
মূলত ফারুক ও অমিতের মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করে আল আমিন এবং গ্যাং তথা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে সিহাব।

তাদের এতসব অপকর্মের বিরুদ্ধে মূখ খোলার সাহস পায় না এলাকাবাসী। ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নির্দ্বিধায় মাদক কারবার করছে তারা।
এছাড়াও এই সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে রয়েছে ছিনতাই, চুরি দখলবাজীর মত গুরুতর অভিযোগ। অপর দিকে টঙ্গীর টিএন্ডটি বাজার এলাকার মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছেন শীর্ষ মাদক কারবারি শাহিদা তার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক মামলা। মাদক কারবার করে গড়েছেন একাধিক বাড়ি ও কোটি টাকার সম্পদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বউ বাজার এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী পরিবারের সেল্টারে এমন অপকর্মে লিপ্ত ফারুক ও অমিত। তুচ্ছ ঘটনায় দলবল নিয়ে হামলা ভাংচুর লুটপাট চালায় তারা। টঙ্গী অঞ্চলের যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে এদের দমন করা খুব জরুরী। এবিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে কাজ করছে পুলিশ। শীর্ষ এই মাদক কারবারিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

সময়ের ধারা সংবাদটি শেয়ার করুন এবং আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © somoyerdhara.com
Desing by Raytahost.com