বাগেরহাট প্রতিনিধি: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট–১ (মোল্লাহাট, চিতলমারী, ফকিরহাট) আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা। মাঠপর্যায়ে তার ব্যাপক গণসংযোগ, উন্নয়নমুখী ভাবনা এবং তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা তাকে এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ইঞ্জিঃ মাসুদ রানা ২০১৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করলেও এবার দলের প্রার্থীতা পেয়েছে চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি।
আর আওয়ামী লীগ নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ায় শুরু থেকেই ছিল অসোন্তষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতাকর্মী জানান, দলের বাইরে গিয়ে প্রচারণার সুযোগ নেই বলেই প্রচার কাজে যোগ দিয়েছি। তবে প্রার্থী বাছাইয়ে দলের এমন উদাসীন ভাবনা ১২ তারিখে পরিবর্তন হয়ে যাবে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী সময়ে যাকে নেতাকর্মী পাশে পেয়েছে তাকেই বেছে এই আসনের অবিভাবক হিসেবে বেছে নিবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফকিরহাট উপজেলা যুবদলের এক শীর্ষ নেতা জানান, “দলের নির্দেশে নেতাকর্মী মাঠে নামিছে। তবে ভোট কোন জায়গায় দিতি হবে তা সবাই ভাল কইরে জানে। আওয়ামী লীগ তাড়াইছি কি আওয়ামিলীগের নেতারে এমপি বানাতি? সিল যেহেনি মারার দরকার সবাই সেহানে মারবেনে।
ঠ্যাকে পইড়ে মাইনষের কাছে ভোট চাতি হচ্ছে”। সূত্রে জানা গেছে, ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী উপজেলার সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন ইঞ্জিঃ মাসুদ রানা। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়নে তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে বড় ভূমিকা রাখছে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একজন সৎ, শিক্ষিত ও আধুনিক চিন্তাধারার নেতৃত্ব হিসেবেই তারা ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানাকে দেখতে চান। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা চোখে পড়ার মতো। তরুণ ভোটারদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানার জনপ্রিয়তা ও বিগত দিনের সাংগঠনিক শক্তি তাকে বাগেরহাট–১ আসনে ‘বাজিমাত’ করার পথে এগিয়ে নিচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এই আসনে বড় চমক দেখাতে পারেন তিনি—এমনটাই মনে করছেন তারা।
Leave a Reply